সুখবর পেলেন বিএনপির আরও এক নেতা
রংপুরের পীরগাছা উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা শাহ মো. ফরহাদ হোসেন অনুর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পূর্বে গৃহীত বহিষ্কারাদেশ দলীয় হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তক্রমে প্রত্যাহার করা হলো। একই সঙ্গে তাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হিসেবে পুনর্বহাল করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে দলীয় গঠনতন্ত্র, নীতি ও শৃঙ্খলা মেনে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়। শাহ মো. ফরহাদ হোসেন অনু পীরগাছা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় গত ২৬ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। যদিও সে নির্বাচনে তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের প্রতিক্রিয়ায় শাহ ফরহাদ হোসেন অনু কালবেলাকে বলেন, প্রথমেই মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি। আমার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করায় দলের সকল সিনিয়র নেতাদের প্
রংপুরের পীরগাছা উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা শাহ মো. ফরহাদ হোসেন অনুর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পূর্বে গৃহীত বহিষ্কারাদেশ দলীয় হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তক্রমে প্রত্যাহার করা হলো। একই সঙ্গে তাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হিসেবে পুনর্বহাল করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে দলীয় গঠনতন্ত্র, নীতি ও শৃঙ্খলা মেনে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়।
শাহ মো. ফরহাদ হোসেন অনু পীরগাছা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় গত ২৬ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। যদিও সে নির্বাচনে তিনি পরাজিত হয়েছিলেন।
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের প্রতিক্রিয়ায় শাহ ফরহাদ হোসেন অনু কালবেলাকে বলেন, প্রথমেই মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি। আমার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করায় দলের সকল সিনিয়র নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। প্রিয় সংগঠন থেকে দীর্ঘদিন বাইরে থাকা যে কতটা কষ্টের, তা আমি হাড়ে হাড়ে অনুভব করেছি।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলার প্রতি আরও বেশি সচেতন থেকে বিএনপিকে শক্তিশালী করতে সর্বাত্মকভাবে কাজ করে যাবেন।
এর আগে বিএনপির ১৩ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। আবেদনের প্রেক্ষিতে দল থেকে তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
এতে বলা হয়েছে, ইতোপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শপরিপন্থি কার্যকলাপের জন্য মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী ভুট্টো, সিলেট জেলা মহিলা দলের সাবেক সহসভাপতি খোদেজা রহিম কলি, রংপুর জেলাধীন পীরগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ মো. ফরহাদ হোসেন অনু, বগুড়া জেলাধীন নন্দীগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. এ কে আজাদ, নন্দীগ্রাম পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. কামরুল হাসান জুয়েল, কাহালু উপজেলার অন্তর্গত কালাই ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য জোবাইদুর রহমান সবুজ, দুর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শাহ মেহেদী হাসান রঞ্জু, কাহালু উপজেলা বিএনপি নেতা আলহাজ আব্দুল মান্নান, মো. জাহিদ হাসান জালাল, মো. মাহবুবুর রহমান বাবু; কাহালু পৌর বিএনপি নেতা মো. আলমগীর হোসেন আলম, গাবতলী পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য মো. আব্দুল করিম, গাবতলী পৌরসভার অন্তর্গত ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মো. সাজেদুল আলম রাসেলকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
What's Your Reaction?