সুনামগঞ্জে গুজাউনি বাঁধ ভেঙে ৩ হাজার হেক্টর বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার দেখার হাওরের গুজাউনি বাঁধ ভেঙে হাওরে পানি প্রবেশ করায় প্রায় ৩ হাজার হেক্টর বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিকল্পিতভাবে বাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এমন ভাঙনের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা। শনিবার সকালে এ বাঁধটি ভেঙে হাওরে পানি প্রবেশ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বাঁধ ভেঙে হাওরে পানি প্রবেশ শুরু হলে স্থানীয় শত শত কৃষক স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ মেরামত করতে মাটি ও বস্তা ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। চলতি বছরে এই বাঁধে পিআইসি কমিটির মাধ্যমে কোনো কাজ না হওয়ায় বাঁধটি দুর্বল হয়ে পড়ে। এছাড়াও দায়িত্বশীলদের দায়িত্বহীনতায় হাওরে অনেক বাঁধে কাজ না হওয়ায় সেগুলোও পানির চাপে ভেঙে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে ফসল রক্ষা নিয়ে চরম উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন কৃষকরা। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন হাওর পাড়ের কৃষকগণ ও সচেতন মহল।কৃষক ফারুক মিয়া জানান, অনেক চেষ্টা করে বাঁধটি দিয়ে পানি প্রবেশ করা নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও আশঙ্কা রয়ে গে
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার দেখার হাওরের গুজাউনি বাঁধ ভেঙে হাওরে পানি প্রবেশ করায় প্রায় ৩ হাজার হেক্টর বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিকল্পিতভাবে বাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এমন ভাঙনের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা। শনিবার সকালে এ বাঁধটি ভেঙে হাওরে পানি প্রবেশ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বাঁধ ভেঙে হাওরে পানি প্রবেশ শুরু হলে স্থানীয় শত শত কৃষক স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ মেরামত করতে মাটি ও বস্তা ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। চলতি বছরে এই বাঁধে পিআইসি কমিটির মাধ্যমে কোনো কাজ না হওয়ায় বাঁধটি দুর্বল হয়ে পড়ে। এছাড়াও দায়িত্বশীলদের দায়িত্বহীনতায় হাওরে অনেক বাঁধে কাজ না হওয়ায় সেগুলোও পানির চাপে ভেঙে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে ফসল রক্ষা নিয়ে চরম উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন কৃষকরা। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন হাওর পাড়ের কৃষকগণ ও সচেতন মহল।
কৃষক ফারুক মিয়া জানান, অনেক চেষ্টা করে বাঁধটি দিয়ে পানি প্রবেশ করা নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও আশঙ্কা রয়ে গেছে। বাঁধ ভালোভাবে নির্মাণ করা খুবই প্রয়োজনীয়। না হলে আমাদের দুঃখের শেষ থাকবে না।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আদিত্য পাল জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ দ্রুত মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং কাজ চলমান রয়েছে।
What's Your Reaction?