সুনামগঞ্জ-৩ আসনে পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৩ (শান্তিগঞ্জ-জগন্নাথপুর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সাত প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজন প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, মোট প্রদত্ত ভোটের অন্তত এক-অষ্টমাংশ (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) অর্থাৎ ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এ আসনে প্রদত্ত ভোটের ভিত্তিতে জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল কমপক্ষে ২০ হাজার ৫৪৯ ভোট। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৩ হাজার ১৬ জন। ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৯২ জন। ঘোষিত ফলাফলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কয়ছর আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে ৯৭ হাজার ৩১৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হোসেন তালা প্রতীকে পেয়েছেন ৪২ হাজার ২২৬ ভোট। অন্যদিকে, জামানত হারানো পাঁচ প্রার্থী হলেন- বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-এর শাহীনূর পাশা চৌধুরী (রিকশা) ১৪ হাজার ২০৩ ভোট, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)-এর সৈয়দ তালহা আলম (ঈগ

সুনামগঞ্জ-৩ আসনে পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৩ (শান্তিগঞ্জ-জগন্নাথপুর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সাত প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজন প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।

নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, মোট প্রদত্ত ভোটের অন্তত এক-অষ্টমাংশ (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) অর্থাৎ ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এ আসনে প্রদত্ত ভোটের ভিত্তিতে জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল কমপক্ষে ২০ হাজার ৫৪৯ ভোট।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৩ হাজার ১৬ জন। ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৯২ জন। ঘোষিত ফলাফলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কয়ছর আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে ৯৭ হাজার ৩১৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হোসেন তালা প্রতীকে পেয়েছেন ৪২ হাজার ২২৬ ভোট।

অন্যদিকে, জামানত হারানো পাঁচ প্রার্থী হলেন- বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-এর শাহীনূর পাশা চৌধুরী (রিকশা) ১৪ হাজার ২০৩ ভোট, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)-এর সৈয়দ তালহা আলম (ঈগল) ৪ হাজার ৯৩৭ ভোট, খেলাফত মজলিসের শেখ মুশতাক আহমদ (দেওয়াল ঘড়ি) ৮৫৭ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহফুজুর রহমান খালেদ (টেবিল ঘড়ি) ২৩৭ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসাইন আহমেদ (ফুটবল) ১৭৭ ভোট পেয়েছেন।

পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হোসেন নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছেন। বাকি পাঁচজন এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পাওয়ায় নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow