সুন্দরবনে হরিণ ধরার ফাঁদ সহ আটক দুই

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কটকা অভয়ারণ্য এলাকার বেতমোর নদী থেকে ট্রলার ও হরিণ শিকারের ফাঁদ সহ দুই শিকারীকে আটক করেছে বনবিভাগ। রবিবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে নিয়মিত টহলের সময় বনরক্ষীরা ওই ট্রলারটি আটক করে। আটককৃতদের রবিবার বিকেলে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে। পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম জানান, কটকা অভয়ারণ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ফরেস্টার) মতিউর রহমানের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা টহল দিচ্ছিলেন। এ সময় বেতমোর নদীতে একটি সন্দেহজনক ট্রলার থামানো হলে ট্রলারের পাটাতনে রক্তের চিহ্ন দেখতে পাওয়া যায়। এ সময় তল্লাশী চালিয়ে ৫০০ ফুট হরিণ শিকারের ফাঁদ জব্দ করা হয়। পরে বরগুনার তালতলী উপজেলার সকিনা গ্রামের আ. মালেক আকন (৬০) ও আ. কালাম হাওলাদার (৫৫) কে আটক করে বনরক্ষীরা। ধারনা করা হচ্ছে, বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে শিকারিরা রাতের আঁধারে হরিণের মাংস নদীতে ফেলে দেয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় বন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সুন্দরবনে হরিণ ধরার ফাঁদ সহ আটক দুই

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কটকা অভয়ারণ্য এলাকার বেতমোর নদী থেকে ট্রলার ও হরিণ শিকারের ফাঁদ সহ দুই শিকারীকে আটক করেছে বনবিভাগ। রবিবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে নিয়মিত টহলের সময় বনরক্ষীরা ওই ট্রলারটি আটক করে। আটককৃতদের রবিবার বিকেলে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম জানান, কটকা অভয়ারণ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ফরেস্টার) মতিউর রহমানের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা টহল দিচ্ছিলেন। এ সময় বেতমোর নদীতে একটি সন্দেহজনক ট্রলার থামানো হলে ট্রলারের পাটাতনে রক্তের চিহ্ন দেখতে পাওয়া যায়। এ সময় তল্লাশী চালিয়ে ৫০০ ফুট হরিণ শিকারের ফাঁদ জব্দ করা হয়।

পরে বরগুনার তালতলী উপজেলার সকিনা গ্রামের আ. মালেক আকন (৬০) ও আ. কালাম হাওলাদার (৫৫) কে আটক করে বনরক্ষীরা। ধারনা করা হচ্ছে, বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে শিকারিরা রাতের আঁধারে হরিণের মাংস নদীতে ফেলে দেয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় বন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow