সুন্নত না পড়ে ফরজ নামাজের ইমামতি করা যায়?

প্রশ্ন: যে ওয়াক্তে ফরজ নামাজের আগে সুন্নতে মুআক্কাদা নামাজ আছে যেমন ফরজ ও জোহরের নামাজ, এই নামাজগুলোর আগে কেউ যদি সুন্নত নামাজ না পড়ে, ফরজ নামাজে তার ইমামতি কি শুদ্ধ হবে? উত্তর: ফরজ নামাজের পাশাপাশি নবীজি (সা.) ও তার সাহাবিরা নিয়মিত ১২ রাকাত নফল নামাজ পড়তেন। এই নামাজগুলোকেই আমরা সুন্নতে মুআক্কাদা নামাজ বলে থাকি। প্রতিদিন এই ১২ রাকাত নফল নামাজের ফজিলত বর্ণনা করে রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি দিনে ও রাতে বারো রাকাত নামাজ আদায় করবে, তার জন্যে জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করা হবে। (সহিহ মুসলিম) কখন কীভাবে এই ১২ রাকাত নামাজ পড়তে হবে তার বর্ণনা দিয়ে নবীজি (সা.) বলেছেন, চার রাকাত জোহরের ফরজের আগে, দুই রাকাত জোহরের ফজরের পরে, দুই রাকাত মাগরিবের ফজরের পরে, দুই রাকাত ইশার ফরজের পরে আর দুই রাকাত ফজরের ফরজের আগে আদায় করতে হবে। (সুনানে তিরমিজি) সময়-সুযোগ থাকলে সুন্নতে মুআক্কাদা নামাজ অবশ্যই পড়া উচিত, ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়, যেহেতু এটি অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ নামাজ। তবে এই নামাজগুলো নফল, ফরজ-ওয়াজিব নয় এবং ফরজ নামাজ শুদ্ধ বা অশুদ্ধ হওয়ার সঙ্গে এই সুন্নত নামাজ পড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। তাই সুন্নত নামাজ না পড়েও ফরজ নামা

সুন্নত না পড়ে ফরজ নামাজের ইমামতি করা যায়?

প্রশ্ন: যে ওয়াক্তে ফরজ নামাজের আগে সুন্নতে মুআক্কাদা নামাজ আছে যেমন ফরজ ও জোহরের নামাজ, এই নামাজগুলোর আগে কেউ যদি সুন্নত নামাজ না পড়ে, ফরজ নামাজে তার ইমামতি কি শুদ্ধ হবে?

উত্তর: ফরজ নামাজের পাশাপাশি নবীজি (সা.) ও তার সাহাবিরা নিয়মিত ১২ রাকাত নফল নামাজ পড়তেন। এই নামাজগুলোকেই আমরা সুন্নতে মুআক্কাদা নামাজ বলে থাকি। প্রতিদিন এই ১২ রাকাত নফল নামাজের ফজিলত বর্ণনা করে রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি দিনে ও রাতে বারো রাকাত নামাজ আদায় করবে, তার জন্যে জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করা হবে। (সহিহ মুসলিম)

কখন কীভাবে এই ১২ রাকাত নামাজ পড়তে হবে তার বর্ণনা দিয়ে নবীজি (সা.) বলেছেন, চার রাকাত জোহরের ফরজের আগে, দুই রাকাত জোহরের ফজরের পরে, দুই রাকাত মাগরিবের ফজরের পরে, দুই রাকাত ইশার ফরজের পরে আর দুই রাকাত ফজরের ফরজের আগে আদায় করতে হবে। (সুনানে তিরমিজি)

সময়-সুযোগ থাকলে সুন্নতে মুআক্কাদা নামাজ অবশ্যই পড়া উচিত, ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়, যেহেতু এটি অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ নামাজ। তবে এই নামাজগুলো নফল, ফরজ-ওয়াজিব নয় এবং ফরজ নামাজ শুদ্ধ বা অশুদ্ধ হওয়ার সঙ্গে এই সুন্নত নামাজ পড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। তাই সুন্নত নামাজ না পড়েও ফরজ নামাজ পড়া যায়, ফরজের ইমামতিও করা যায়, এতে কোনো সমস্যা নেই।

নবীজি (সা.) কোনো নামাজের জামাতে উপস্থিত থাকলে সাধারণত তিনিই ইমামতি করতেন। তিনিও মাঝে মাঝে জোহরের আগে সুন্নত না পড়তে পারলে পরে পড়তেন। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত যে,রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জোহরের আগে চার রাকাত সুন্নাত আদায় করতে না পারলে জোহরের পর আদায় করতেন। (সুনানে তিরমিজি)

ওএফএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow