সুমন অভিনেতাদের একটা ঘোরে নিয়ে যান: নাজিফা তুষি

হালের আলোচিত অভিনেত্রী নাজিফা তুষির চলচ্চিত্রে আগমন নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমনের হাত ধরে। ২০১৬ সালে ‘আইসক্রিম’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় যাত্রা শুরু করেন তিনি। প্রথম সিনেমাটি প্রত্যাশিত দর্শকপ্রিয়তা না পেলেও একই নির্মাতার পরিচালনায় ‘হাওয়া’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শক-সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ান তুষি। এবার তিনি হাজির হয়েছেন নতুন সিনেমা ‘রইদ’ নিয়ে। সম্প্রতি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নাজিফা তুষি নিজের কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে জানান, নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমনের সঙ্গে কাজ করা যেকোনো অভিনেতার জন্যই এক ধরনের আশীর্বাদ। নির্মাতার কাজের ধরন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার পরিচালনার পুরো প্রক্রিয়াটাই আলাদা। সবকিছু এতটাই বাস্তব ও স্বাভাবিকভাবে এগোয় যে অভিনয় করতে গিয়ে জোর করে কিছু করতে হয় না। বরং চরিত্রের ভেতরে যেন অদৃশ্য এক ঘোরের মধ্যে ঢুকে পড়েন অভিনেতারা। তুষির ভাষায়, ‘উনি অভিনেতাদের একটা ট্র্যান্সে নিয়ে যান, তারপর ছেড়ে দেন।’ সিনেমায় ‘সাধুর বউ’ চরিত্রে নিজেকে গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিয়েও কথা বলেন তুষি। গ্রামীণ নারীর বাস্তব রূপ ফুটিয়ে তুলতে লোকাল বাজার থেকে ব্যবহৃত কাপড় সংগ্রহ করে শুটিংয়ের আগ থেকেই সেগু

সুমন অভিনেতাদের একটা ঘোরে নিয়ে যান: নাজিফা তুষি

হালের আলোচিত অভিনেত্রী নাজিফা তুষির চলচ্চিত্রে আগমন নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমনের হাত ধরে। ২০১৬ সালে ‘আইসক্রিম’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় যাত্রা শুরু করেন তিনি। প্রথম সিনেমাটি প্রত্যাশিত দর্শকপ্রিয়তা না পেলেও একই নির্মাতার পরিচালনায় ‘হাওয়া’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শক-সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ান তুষি। এবার তিনি হাজির হয়েছেন নতুন সিনেমা ‘রইদ’ নিয়ে।

সম্প্রতি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নাজিফা তুষি নিজের কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে জানান, নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমনের সঙ্গে কাজ করা যেকোনো অভিনেতার জন্যই এক ধরনের আশীর্বাদ। নির্মাতার কাজের ধরন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার পরিচালনার পুরো প্রক্রিয়াটাই আলাদা। সবকিছু এতটাই বাস্তব ও স্বাভাবিকভাবে এগোয় যে অভিনয় করতে গিয়ে জোর করে কিছু করতে হয় না। বরং চরিত্রের ভেতরে যেন অদৃশ্য এক ঘোরের মধ্যে ঢুকে পড়েন অভিনেতারা। তুষির ভাষায়, ‘উনি অভিনেতাদের একটা ট্র্যান্সে নিয়ে যান, তারপর ছেড়ে দেন।’

সিনেমায় ‘সাধুর বউ’ চরিত্রে নিজেকে গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিয়েও কথা বলেন তুষি। গ্রামীণ নারীর বাস্তব রূপ ফুটিয়ে তুলতে লোকাল বাজার থেকে ব্যবহৃত কাপড় সংগ্রহ করে শুটিংয়ের আগ থেকেই সেগুলো পরতেন তারা। সে সময় নিজের ব্যক্তিগত কোনো পোশাক বা জিনিসপত্র ব্যবহার করেননি তিনি। তবে তার মতে, বাহ্যিক পরিবর্তনের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল চরিত্রটির মনস্তত্ত্বকে ধারণ করা।

চরিত্রের প্রয়োজনে লুক পরিবর্তন বা তথাকথিত ‘স্যাক্রিফাইস’ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তুষি অত্যন্ত সাবলীলভাবে বলেন, এসব কস্টিউম বা বাহ্যিক রূপ আসলে খুব ছোট একটি বিষয়। তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও উপভোগ্য ছিল চরিত্রের মানসিক জগতে প্রবেশ করা। তিনি মনে করেন, কালো দেখানো, সাধারণ পোশাক পরা কিংবা নিজেকে কম আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা খুব সহজ ব্যাপার। বরং নতুন এক জগৎ, নতুন অভিজ্ঞতা এবং অদ্ভুত সুন্দর এক সময়কে নিজের জীবনের অংশ করে নিতে পেরেছেন বলেই এই কাজটি তার কাছে বিশেষ হয়ে উঠেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow