সেই শিশুর গলায় দুই দফা অস্ত্রোপচার, থানায় মামলা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের গহিন জঙ্গল থেকে গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ৭ বছরের সেই শিশুর গলায় দুই দফা অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতির দিকে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। শিশুর মা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় অপহরন ও হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেছেন। সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার করা হয়। এর আগে রোববার রাতে প্রথম দফা অস্ত্রোপচার করা হয়। আহত শিশুর নাম ইরা (৭)। সে কুমিরা ইউনিয়নের মাস্টারপাড়ার নুর ইসলামের মেয়ে। শিশুটি মসজিদ্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। জানা যায়, সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক এলাকায় ভূমি থেকে প্রায় এক হাজার ফুট ওপরে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসতে দেখেন স্থানীয় শ্রমিকরা। তখন  তার গলা থেকে গলগল করে রক্ত ঝরছিল। দ্রুত কয়েকজন শ্রমিক তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে পাঠানো হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। বর্তমানে হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সে

সেই শিশুর গলায় দুই দফা অস্ত্রোপচার, থানায় মামলা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের গহিন জঙ্গল থেকে গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ৭ বছরের সেই শিশুর গলায় দুই দফা অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতির দিকে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

শিশুর মা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় অপহরন ও হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেছেন।

সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার করা হয়। এর আগে রোববার রাতে প্রথম দফা অস্ত্রোপচার করা হয়।

আহত শিশুর নাম ইরা (৭)। সে কুমিরা ইউনিয়নের মাস্টারপাড়ার নুর ইসলামের মেয়ে। শিশুটি মসজিদ্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

জানা যায়, সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক এলাকায় ভূমি থেকে প্রায় এক হাজার ফুট ওপরে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসতে দেখেন স্থানীয় শ্রমিকরা। তখন  তার গলা থেকে গলগল করে রক্ত ঝরছিল। দ্রুত কয়েকজন শ্রমিক তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে পাঠানো হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। বর্তমানে হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে তার চিকিৎসা চলছে। 

সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাথমিক তথ্যমতে, শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষার পরে তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। শিশুটির পরনে রক্তে ভেজা কামিজ থাকলেও সালোয়ার ছিল না। শিশুটির শ্বাসনালি কেটে যাওয়াতে কথা বলতে পারছে না। এ ঘটনা কে বা কারা ঘটিয়েছে এ ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি। তবে শিশুটি ইশারায় বোঝাতে চেষ্টা করছে, যে এমন নিষ্ঠুর আচরণ করেছে তাকে দেখলে সে চিনতে পারবে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন কালবেলাকে বলেন, রাতে শিশুটির গলায় অস্ত্রোপচার করা হয়েছে।  বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতির দিকে।
এদিকে এ ঘটনায় শিশুর মা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় একটি অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন।

‎সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম বলেন, শিশু উদ্ধারের ঘটনায় শিশুর মা বাদী হয়ে সকালে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow