সেচঘরে পড়েছিল কৃষকের হাত-পা বাঁধা রক্তাক্ত মরদেহ
রংপুরের পীরগঞ্জে একটি সেচঘর থেকে মফিজার রহমান নামে এক কৃষকের হাত-পা বাঁধা রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, সেচ পাম্পের ট্রান্সমিটার চুরি করতে বাধা দেওয়ায় চোর চক্র তাকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে উপজেলার বড় আলমপুর ইউনিয়নের উমরপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মফিজার রহমান স্থানীয় সেচ মেশিন মালিক মো. আমজাদ আলীর ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, বিএডিসির সেচ ট্রান্সমিটার পাহারা দেওয়ার জন্য মফিজার প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতেও উমরপুর মাঠের সেচঘরে যান। বৃহস্পতিবার সকালে শহিদুল ইসলাম নামে এক কৃষক মাঠে গিয়ে সেচ ঘরের দরজা খোলা এবং ট্রান্সমিটারটি উধাও দেখতে পান। পরে ঘরের ভেতরে মফিজারের হাত-পা বাঁধা রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তিনি চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে আসেন।
এলাকাবাসীর ধারণা, গভীর রাতে কোনো একটি সংঘবদ্ধ চোর চক্র ট্রান্সমিটার চুরি করতে এলে মফিজার রহমান তাদের বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চোরেরা তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে ট্রান্সমিটারটি নিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌ
রংপুরের পীরগঞ্জে একটি সেচঘর থেকে মফিজার রহমান নামে এক কৃষকের হাত-পা বাঁধা রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, সেচ পাম্পের ট্রান্সমিটার চুরি করতে বাধা দেওয়ায় চোর চক্র তাকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে উপজেলার বড় আলমপুর ইউনিয়নের উমরপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মফিজার রহমান স্থানীয় সেচ মেশিন মালিক মো. আমজাদ আলীর ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, বিএডিসির সেচ ট্রান্সমিটার পাহারা দেওয়ার জন্য মফিজার প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতেও উমরপুর মাঠের সেচঘরে যান। বৃহস্পতিবার সকালে শহিদুল ইসলাম নামে এক কৃষক মাঠে গিয়ে সেচ ঘরের দরজা খোলা এবং ট্রান্সমিটারটি উধাও দেখতে পান। পরে ঘরের ভেতরে মফিজারের হাত-পা বাঁধা রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তিনি চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে আসেন।
এলাকাবাসীর ধারণা, গভীর রাতে কোনো একটি সংঘবদ্ধ চোর চক্র ট্রান্সমিটার চুরি করতে এলে মফিজার রহমান তাদের বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চোরেরা তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে ট্রান্সমিটারটি নিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমূল হক জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।