সেচ পাম্পের ঘরে বৃদ্ধকে নৃশংসভাবে হত্যা

বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় লতিফ আকন্দ (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে সেচ পাম্প ঘরের ভেতর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সকালে উপজেলার মহিষাবান ইউনিয়নের নিশিন্দারা এলাকার শালমারা চরের একটি পাম্প ঘর থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত লতিফ আকন্দ মহিষাবান ইউনিয়নের নিশিন্দারা আকন্দপাড়া গ্রামের মৃত মোবারক আকন্দের ছেলে। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, লতিফ আকন্দ নিয়মিত ওই সেচ পাম্প ঘরে রাতযাপন করতেন। শনিবার রাতেও তিনি প্রতিদিনের মতো বাড়ি থেকে পাম্প ঘরের উদ্দেশ্যে বের হন। পরদিন সকালে দুই কৃষক জমিতে সার দিতে গিয়ে পাম্প ঘরের বেড়া ভাঙা দেখতে পান। ভেতরে উঁকি দিয়ে তারা লতিফ আকন্দকে রক্তাক্ত ও বিবস্ত্র অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করেন। পরে আশপাশের লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। মরদেহের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এছাড়া পাম্প ঘরের ভেতরে রক্তের দাগ ও ধস্তাধস্তির স্পষ্ট আলামত মিলেছে, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। খবর পেয়ে গাবতলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবির এবং গাবতলী মডেল থান

সেচ পাম্পের ঘরে বৃদ্ধকে নৃশংসভাবে হত্যা
বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় লতিফ আকন্দ (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে সেচ পাম্প ঘরের ভেতর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সকালে উপজেলার মহিষাবান ইউনিয়নের নিশিন্দারা এলাকার শালমারা চরের একটি পাম্প ঘর থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত লতিফ আকন্দ মহিষাবান ইউনিয়নের নিশিন্দারা আকন্দপাড়া গ্রামের মৃত মোবারক আকন্দের ছেলে। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, লতিফ আকন্দ নিয়মিত ওই সেচ পাম্প ঘরে রাতযাপন করতেন। শনিবার রাতেও তিনি প্রতিদিনের মতো বাড়ি থেকে পাম্প ঘরের উদ্দেশ্যে বের হন। পরদিন সকালে দুই কৃষক জমিতে সার দিতে গিয়ে পাম্প ঘরের বেড়া ভাঙা দেখতে পান। ভেতরে উঁকি দিয়ে তারা লতিফ আকন্দকে রক্তাক্ত ও বিবস্ত্র অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করেন। পরে আশপাশের লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। মরদেহের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এছাড়া পাম্প ঘরের ভেতরে রক্তের দাগ ও ধস্তাধস্তির স্পষ্ট আলামত মিলেছে, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। খবর পেয়ে গাবতলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবির এবং গাবতলী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাকিব হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিব হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow