সেনাবাহিনীর অভিযানে মাদক ব্যবসায়ীসহ গ্রেপ্তার ৩
সাতক্ষীরায় সেনাবাহিনীর এক অভিযানে বিপুল মাদক, নগদ টাকা ও দেশীয় অস্ত্রসহ মাদক ব্যবসায়ী ইয়াসিন আরাফাতসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সদর উপজেলার পলাশপোল এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. ইয়াসিন আরাফাত (২৫), মো. রাকিব হোসেন (২০) ও মো. মুরাদ হোসেন (২০)। ইয়াসিন আরাফাত পলাশপোল গ্রামের মো. আমিনুল সরদারের ছেলে। রাকিব হোসেন ও মুরাদ হোসেন কামালনগর গ্রামের বাসিন্দা। অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৪২০ পিস ইয়াবা, মাদক বিক্রির নগদ ৪ লাখ ১৫ হাজার ২৩০ টাকা, ৬টি দেশীয় অস্ত্র, ১৫টি লাঠি ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। সেনাবাহিনীর সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার ইয়াসিন আরাফাত সাতক্ষীরা জেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে মাদক চোরাচালান ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা এসব অস্ত্র ও লাঠি ব্যবহার করে এলাকায় বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা করছিল। গ্রেপ্তারের পর তিনজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাতক্ষীরা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ
সাতক্ষীরায় সেনাবাহিনীর এক অভিযানে বিপুল মাদক, নগদ টাকা ও দেশীয় অস্ত্রসহ মাদক ব্যবসায়ী ইয়াসিন আরাফাতসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সদর উপজেলার পলাশপোল এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. ইয়াসিন আরাফাত (২৫), মো. রাকিব হোসেন (২০) ও মো. মুরাদ হোসেন (২০)। ইয়াসিন আরাফাত পলাশপোল গ্রামের মো. আমিনুল সরদারের ছেলে। রাকিব হোসেন ও মুরাদ হোসেন কামালনগর গ্রামের বাসিন্দা।
অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৪২০ পিস ইয়াবা, মাদক বিক্রির নগদ ৪ লাখ ১৫ হাজার ২৩০ টাকা, ৬টি দেশীয় অস্ত্র, ১৫টি লাঠি ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
সেনাবাহিনীর সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার ইয়াসিন আরাফাত সাতক্ষীরা জেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে মাদক চোরাচালান ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা এসব অস্ত্র ও লাঠি ব্যবহার করে এলাকায় বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা করছিল।
গ্রেপ্তারের পর তিনজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাতক্ষীরা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও মাদক দমনে সেনাবাহিনীর এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
What's Your Reaction?