সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৩
বগুড়ার নন্দীগ্রামে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল, গুলি ও বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ তিন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা থেকে রাত পর্যন্ত নন্দীগ্রাম উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের তেঁতুলিয়াগাড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন- নন্দীগ্রাম উপজেলার তেঁতুলিয়াগাড়ি এলাকার মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে আব্দুস ছালাম (৩০), একই এলাকার আব্দুস ছাত্তারের ছেলে আবু বক্কর (২৮) এবং শাজাহানপুর উপজেলার গোহাইল ইউনিয়নের রুপিহার গ্রামের আবু মুসার ছেলে পারভেজ (২৫)। সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে নেতৃত্ব দেন মেজর মেহেদী হাসান, ক্যাপ্টেন জিসান ও লেফটেন্যান্ট ফাতিন। অভিযানের শুরুতে সন্দেহভাজন আব্দুস সালামকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তার কাছে আগ্নেয়াস্ত্র থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে তাকে সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি চায়নিজ পিস্তল ও পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এছাড়া বাড়ি থেকে ৩৫টি ধারালো দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়। অভিযানের ধারাবাহিকতায় একই এলাকা থেকে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। লেফটেন্যান্ট ফাতিন জানান, গ্রেপ্তারদের বি
বগুড়ার নন্দীগ্রামে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল, গুলি ও বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ তিন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা থেকে রাত পর্যন্ত নন্দীগ্রাম উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের তেঁতুলিয়াগাড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- নন্দীগ্রাম উপজেলার তেঁতুলিয়াগাড়ি এলাকার মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে আব্দুস ছালাম (৩০), একই এলাকার আব্দুস ছাত্তারের ছেলে আবু বক্কর (২৮) এবং শাজাহানপুর উপজেলার গোহাইল ইউনিয়নের রুপিহার গ্রামের আবু মুসার ছেলে পারভেজ (২৫)।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে নেতৃত্ব দেন মেজর মেহেদী হাসান, ক্যাপ্টেন জিসান ও লেফটেন্যান্ট ফাতিন। অভিযানের শুরুতে সন্দেহভাজন আব্দুস সালামকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তার কাছে আগ্নেয়াস্ত্র থাকার কথা স্বীকার করেন।
পরে তাকে সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি চায়নিজ পিস্তল ও পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এছাড়া বাড়ি থেকে ৩৫টি ধারালো দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়। অভিযানের ধারাবাহিকতায় একই এলাকা থেকে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
লেফটেন্যান্ট ফাতিন জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। উদ্ধার অস্ত্র ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নন্দীগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
What's Your Reaction?