সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ফ্যামিলি প্ল্যানিং ক্যাম্পেইন হবে
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, আগামী সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে ব্যাপকভাবে ফ্যামিলি প্ল্যানিং ক্যাম্পেইন করা হবে। সহজভাবে পরিবার পরিকল্পনার বিভিন্ন সরঞ্জাম মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে জন্মহার কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন। মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সরকার কাজ শুরু করেছে। আমাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা হবে। এ জন্য যা যা করার প্রয়োজন, আমরা ইতোমধ্যে সেই কাজ শুরু করেছি। আমরা প্রতিজ্ঞা করছি, দেশকে উন্নত করবো এবং স্বাস্থ্য বিভাগকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন সরঞ্জাম অযথা ফেলে রেখে নষ্ট করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন হাসপাতালে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশকে কতদিনে উন্নত করা সম্ভব হবে, তা বলা কঠিন। আরও পড়ুন হাইমচর হাসপাতাল / সেবার মান নিয়ে মন্ত্রীর ক্ষোভ, সিভিল সার্জনকে স্ট্যান্ড রিলিজ এর আগে আকস্মিক ঝটিকা সফ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, আগামী সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে ব্যাপকভাবে ফ্যামিলি প্ল্যানিং ক্যাম্পেইন করা হবে। সহজভাবে পরিবার পরিকল্পনার বিভিন্ন সরঞ্জাম মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে জন্মহার কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সরকার কাজ শুরু করেছে। আমাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা হবে। এ জন্য যা যা করার প্রয়োজন, আমরা ইতোমধ্যে সেই কাজ শুরু করেছি। আমরা প্রতিজ্ঞা করছি, দেশকে উন্নত করবো এবং স্বাস্থ্য বিভাগকে এগিয়ে নিয়ে যাবো।
ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন সরঞ্জাম অযথা ফেলে রেখে নষ্ট করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন হাসপাতালে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশকে কতদিনে উন্নত করা সম্ভব হবে, তা বলা কঠিন।
এর আগে আকস্মিক ঝটিকা সফরে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সেখানে হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা দেখে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ সময় হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন করে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
একই সঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. নুরে আলম দীনকে স্ট্যান্ড রিলিজ করার নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তবে পরবর্তীতে চাঁদপুর সরকারি হাসপাতাল এসে মৌখিকভাবে তাকে ক্ষমা করার নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ভবিষ্যতে কোনো ধরনের দায়িত্ব অবহেলা করলে আর ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সলিমুল্লাহ সেলিম, চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. একেএম মাহবুবুর রহমান, সিভিল সার্জন নুরে আলম দীন।
শরীফুল ইসলাম/এনএইচআর/জেআইএম
What's Your Reaction?
