সোনার গহনায় ৫ শতাংশ ভ্যাটের বদলে ভরিপ্রতি দিতে হবে ৫ হাজার টাকা
সোনা ও স্বর্ণালংকার কেনাবেচায় বিদ্যমান ৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট ব্যবস্থা বাতিল করে ভরিপ্রতি নির্দিষ্ট ৫ হাজার টাকা ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে। ফলে নতুন স্বর্ণের গহনা কিনতে ক্রেতাদের খরচ আগের তুলনায় কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী। এর আগে সকালে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়।
এত দিন দেশের বাজারে সোনা ও স্বর্ণালংকার বিক্রির ক্ষেত্রে মোট বিক্রয়মূল্যের ওপর ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট দিতে হতো। ফলে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে সোনার দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভ্যাটের পরিমাণও বৃদ্ধি পেত, যা সরাসরি ক্রেতার ওপর অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ সৃষ্টি করতো। নতুন বাজেটে এই পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। অলংকার বিক্রির ওপর মোট বিক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে আরোপিত ৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে এর পরিবর্তে ভরিপ্রতি নির্দিষ্ট ৫ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, নতুন ব্যবস্থায় উচ্চমূল্যের স্বর্ণা
সোনা ও স্বর্ণালংকার কেনাবেচায় বিদ্যমান ৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট ব্যবস্থা বাতিল করে ভরিপ্রতি নির্দিষ্ট ৫ হাজার টাকা ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে। ফলে নতুন স্বর্ণের গহনা কিনতে ক্রেতাদের খরচ আগের তুলনায় কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী। এর আগে সকালে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়।
এত দিন দেশের বাজারে সোনা ও স্বর্ণালংকার বিক্রির ক্ষেত্রে মোট বিক্রয়মূল্যের ওপর ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট দিতে হতো। ফলে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে সোনার দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভ্যাটের পরিমাণও বৃদ্ধি পেত, যা সরাসরি ক্রেতার ওপর অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ সৃষ্টি করতো। নতুন বাজেটে এই পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। অলংকার বিক্রির ওপর মোট বিক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে আরোপিত ৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে এর পরিবর্তে ভরিপ্রতি নির্দিষ্ট ৫ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, নতুন ব্যবস্থায় উচ্চমূল্যের স্বর্ণালংকারের ক্ষেত্রে ভ্যাটের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। ফলে উন্নত মানের গহনা কিনতে ক্রেতাদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হবে না এবং বাজারে স্বর্ণালংকার কেনাবেচাও আরও উৎসাহিত হবে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, কর ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন কর ও ভ্যাট কাঠামোয় পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
এসএম/এমএমকে