সোনালী ব্যাংকের পাঁচ শাখার ঋণসীমা তুলে নিল বাংলাদেশ ব্যাংক

রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী ব্যাংকের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ করপোরেট শাখার ওপর দীর্ঘদিনের ঋণ বিতরণে আরোপিত সীমা প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে এখন থেকে এসব শাখাসহ ব্যাংকটির সব শাখা প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে গ্রাহকদের ঋণ দিতে পারবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তের ফলে সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয়, ফরেন এক্সচেঞ্জ করপোরেট, শিল্প ভবন করপোরেট, শহীদ আবরার ফাহাদ অ্যাভিনিউ করপোরেট এবং চট্টগ্রামের লালদীঘি করপোরেট শাখায় ঋণ বিতরণের নির্ধারিত সীমা আর থাকছে না। এর আগে শাখাভেদে সর্বোচ্চ ৫ কোটি থেকে ২০ কোটি টাকার বেশি ঋণ বিতরণে বিধিনিষেধ ছিল। আরও পড়ুন ২০ খেলাপির পেটে সরকারি ছয় ব্যাংকের ৯১ হাজার কোটি টাকা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অর্থনীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানো এবং বড় গ্রাহকদের অর্থায়নের সুবিধার্থে এই সীমা প্রত্যাহারের আবেদন করেছিল সোনালী ব্যাংক। আবেদনে ব্যাংকটি জানায়, অধিকাংশ বড় ও ভালো গ্রাহক এসব শাখার সঙ্গে লেনদেন করলেও সীমাবদ্ধতার কারণে তাদের চাহিদা অনুযায়ী ঋণ দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক সেই আবেদন অনুমোদন করে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে যথাযথ য

সোনালী ব্যাংকের পাঁচ শাখার ঋণসীমা তুলে নিল বাংলাদেশ ব্যাংক

রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী ব্যাংকের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ করপোরেট শাখার ওপর দীর্ঘদিনের ঋণ বিতরণে আরোপিত সীমা প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে এখন থেকে এসব শাখাসহ ব্যাংকটির সব শাখা প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে গ্রাহকদের ঋণ দিতে পারবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তের ফলে সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয়, ফরেন এক্সচেঞ্জ করপোরেট, শিল্প ভবন করপোরেট, শহীদ আবরার ফাহাদ অ্যাভিনিউ করপোরেট এবং চট্টগ্রামের লালদীঘি করপোরেট শাখায় ঋণ বিতরণের নির্ধারিত সীমা আর থাকছে না। এর আগে শাখাভেদে সর্বোচ্চ ৫ কোটি থেকে ২০ কোটি টাকার বেশি ঋণ বিতরণে বিধিনিষেধ ছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অর্থনীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানো এবং বড় গ্রাহকদের অর্থায়নের সুবিধার্থে এই সীমা প্রত্যাহারের আবেদন করেছিল সোনালী ব্যাংক। আবেদনে ব্যাংকটি জানায়, অধিকাংশ বড় ও ভালো গ্রাহক এসব শাখার সঙ্গে লেনদেন করলেও সীমাবদ্ধতার কারণে তাদের চাহিদা অনুযায়ী ঋণ দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক সেই আবেদন অনুমোদন করে।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই-বাছাই নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিতর্কিত বা ঝুঁকিপূর্ণ গ্রাহকদের বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছে।

সোনালী ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, পাঁচটি শাখায় ঋণসীমা থাকায় অনেক যোগ্য গ্রাহককে অর্থায়ন করা সম্ভব হচ্ছিল না। সীমা তুলে নেওয়ায় এখন নিয়ম অনুযায়ী ভালো গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় ঋণ দেওয়া যাবে।

বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে কয়েক বছর আগে সোনালী ব্যাংকের এসব শাখায় ঋণ বিতরণে সীমা আরোপ করা হয়। পরে হল-মার্ক ঋণ কেলেঙ্কারির পর ব্যাংকটির ঋণ কার্যক্রমে নজরদারি আরও কঠোর করা হয়।

এর আগে গত জুনে স্থানীয় কার্যালয় শাখার ঋণসীমা ৫ কোটি টাকা থেকে ২০ কোটি টাকায় উন্নীত করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। সর্বশেষ গত জুলাইয়ে পাঠানো আবেদনের পর বাকি বিধিনিষেধও প্রত্যাহার করা হয়।

ইএআর/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow