সৌদি থেকে বাড়ি ফেরার ৮ দিন পর গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মরিয়ম বেগম (৩৮) নামে এক প্রবাসী গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) সকাল নয়টার দিকে উপজেলার চাকামাইয়া ইউনিয়নের দারোগার তবক এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী নাসির সিকদার পলাতক রয়েছেন।।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দুই সন্তানের জননী ওই নারী প্রায় আট বছর ধরে সংসারের সচ্ছলতা ফেরাতে সৌদি আরব ছিলেন। গত ৮ দিন আগে সৌদি থেকে গ্রামের বাড়িতে আসেন তিনি। এরপর থেকেই স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তার ঝগড়া চলছিল।
রোববার সন্ধ্যার পর স্বামী নাসির উদ্দিন তার কাছে টাকা দাবি করলে তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ সময় নাসির তাকে মারধর করেন। এরপরে রাতে স্বামী-স্ত্রী ঘরেই ছিলেন।
ভোররাতে নাসির তার স্ত্রী আত্মহত্যা করেছে বলে শ্বশুর জালাল গাজীকে জানিয়ে পালিয়ে যায়। পরে সকালে এলাকাবাসী ওই বাড়িতে যান। বাড়ির আঙিনার একটি রেইনট্রি গাছের নিচে মরিয়ম বেগমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, মৃতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে। পরবর্তী আ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মরিয়ম বেগম (৩৮) নামে এক প্রবাসী গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) সকাল নয়টার দিকে উপজেলার চাকামাইয়া ইউনিয়নের দারোগার তবক এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী নাসির সিকদার পলাতক রয়েছেন।।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দুই সন্তানের জননী ওই নারী প্রায় আট বছর ধরে সংসারের সচ্ছলতা ফেরাতে সৌদি আরব ছিলেন। গত ৮ দিন আগে সৌদি থেকে গ্রামের বাড়িতে আসেন তিনি। এরপর থেকেই স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তার ঝগড়া চলছিল।
রোববার সন্ধ্যার পর স্বামী নাসির উদ্দিন তার কাছে টাকা দাবি করলে তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ সময় নাসির তাকে মারধর করেন। এরপরে রাতে স্বামী-স্ত্রী ঘরেই ছিলেন।
ভোররাতে নাসির তার স্ত্রী আত্মহত্যা করেছে বলে শ্বশুর জালাল গাজীকে জানিয়ে পালিয়ে যায়। পরে সকালে এলাকাবাসী ওই বাড়িতে যান। বাড়ির আঙিনার একটি রেইনট্রি গাছের নিচে মরিয়ম বেগমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, মৃতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।