স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে ব্রাজিলের গ্রুপে শক্ত অবস্থানে মরক্কো

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়েছে মরক্কো। বোস্টনে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়েছে উত্তর আফ্রিকার দলটি। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে যায় শুরুর মাত্র ৭০ সেকেন্ডের মধ্যেই, ইসমাইল সাইবারির করা এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল দিয়ে। এই জয়ের ফলে গ্রুপে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে মরক্কো। শেষ গ্রুপ ম্যাচে তারা মুখোমুখি হবে হাইতির। অন্যদিকে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখতে শেষ ম্যাচে ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় পেতেই হবে স্কটল্যান্ডকে। ম্যাচের শুরুতেই ইব্রাহিম দিয়াজের নিখুঁত পাসে ডান প্রান্ত দিয়ে ছুটে যান ইসমাইল সাইবারি। বলটি দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষক আনগুস গানকে পরাস্ত করে অসাধারণ এক ভলিতে জালের ঠিকানায় পাঠান তিনি। বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে গোল পেলেন সাইবারি। গোলের পর ম্যাচজুড়ে উভয় দলই কিছু সুযোগ তৈরি করলেও স্কটল্যান্ড প্রত্যাশিত আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে পারেনি। ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে জন ম্যাকগিন এবং স্কট ম্যাকটমিনে মরক্কোর পেনাল্টি বক্সে পড়ে গেলেও রেফারির কাছ থেকে কোনো সাড়া পাননি। শেষ দিকে সমতায় ফ

স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে ব্রাজিলের গ্রুপে শক্ত অবস্থানে মরক্কো

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়েছে মরক্কো। বোস্টনে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়েছে উত্তর আফ্রিকার দলটি। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে যায় শুরুর মাত্র ৭০ সেকেন্ডের মধ্যেই, ইসমাইল সাইবারির করা এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল দিয়ে।

এই জয়ের ফলে গ্রুপে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে মরক্কো। শেষ গ্রুপ ম্যাচে তারা মুখোমুখি হবে হাইতির। অন্যদিকে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখতে শেষ ম্যাচে ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় পেতেই হবে স্কটল্যান্ডকে।

ম্যাচের শুরুতেই ইব্রাহিম দিয়াজের নিখুঁত পাসে ডান প্রান্ত দিয়ে ছুটে যান ইসমাইল সাইবারি। বলটি দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষক আনগুস গানকে পরাস্ত করে অসাধারণ এক ভলিতে জালের ঠিকানায় পাঠান তিনি। বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে গোল পেলেন সাইবারি।

গোলের পর ম্যাচজুড়ে উভয় দলই কিছু সুযোগ তৈরি করলেও স্কটল্যান্ড প্রত্যাশিত আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে পারেনি। ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে জন ম্যাকগিন এবং স্কট ম্যাকটমিনে মরক্কোর পেনাল্টি বক্সে পড়ে গেলেও রেফারির কাছ থেকে কোনো সাড়া পাননি।

শেষ দিকে সমতায় ফেরার বড় সুযোগ পেয়েছিলেন লিন্ডন ডিকেস। তবে তার হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে হতাশায় ডুবে যায় স্কটিশ সমর্থকরা।

অন্যদিকে মরক্কোও দ্বিতীয়ার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করেছিল। তবে স্কটল্যান্ডের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক গান বেশ কয়েকবার গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে ব্যবধান বাড়তে দেননি। ফলে সাইবারির প্রথম মিনিটের গোলই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়।

এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow