স্কুল ভবনের ওপর এক মাস ধরে পড়ে আছে গাছ, ঝুঁকি নিয়েই চলছে পাঠদান

প্রায় এক মাস ধরে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনে উপড়ে পড়ে আছে বিশাল একটি গাছ। অথচ সেই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই প্রতিদিন চলছে পাঠদান। এতে উদ্বেগে রয়েছেন অভিভাবকরা। বুধবার (৮ জুলাই) সকালে উপজেলার দাদপুর সাহেবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গেলে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৭ জুন রাতে ঝোড়ো হাওয়ায় লম্বা ইউক্যালিপটাস গাছটি স্কুল ভবনে উপড়ে পড়ে। এতে ভবনের সামনের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রায় ২০ দিন পেরিয়ে গেলেও গাছটি ভবনের ওপর ঝুঁকি নিয়েই পড়ে আছে। আর এর মধ্যেই শিক্ষকরা নিয়মিতভাবে ছেলে-মেয়েদের পাঠদান করাচ্ছেন। গাছটি সরকারি হওয়ায় কেউ সরাতে আসেনি। স্থানীয়দের দাবি, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে গাছটি অপসারণ ও ভবনের কিছু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামিমা সুলতানা এ ঘটনার উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, গত ১৭ জুন রাতে গাছটি ভবনের ওপর উপরে পড়ে। এ ঘটনার দুইদিন পর সরকারি বিধি মেনে গাছটি দ্রুত অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্টদের লিখিতভাবে জানিয়েছি। কিন্তু আজও গাছটি সরানো হয়নি৷ মূলত আমরা বাধ্য হয়ে ঝুঁকি থাকার পরও

স্কুল ভবনের ওপর এক মাস ধরে পড়ে আছে গাছ, ঝুঁকি নিয়েই চলছে পাঠদান

প্রায় এক মাস ধরে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনে উপড়ে পড়ে আছে বিশাল একটি গাছ। অথচ সেই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই প্রতিদিন চলছে পাঠদান। এতে উদ্বেগে রয়েছেন অভিভাবকরা।

বুধবার (৮ জুলাই) সকালে উপজেলার দাদপুর সাহেবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গেলে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৭ জুন রাতে ঝোড়ো হাওয়ায় লম্বা ইউক্যালিপটাস গাছটি স্কুল ভবনে উপড়ে পড়ে। এতে ভবনের সামনের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রায় ২০ দিন পেরিয়ে গেলেও গাছটি ভবনের ওপর ঝুঁকি নিয়েই পড়ে আছে। আর এর মধ্যেই শিক্ষকরা নিয়মিতভাবে ছেলে-মেয়েদের পাঠদান করাচ্ছেন। গাছটি সরকারি হওয়ায় কেউ সরাতে আসেনি।

স্থানীয়দের দাবি, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে গাছটি অপসারণ ও ভবনের কিছু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামিমা সুলতানা এ ঘটনার উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, গত ১৭ জুন রাতে গাছটি ভবনের ওপর উপরে পড়ে। এ ঘটনার দুইদিন পর সরকারি বিধি মেনে গাছটি দ্রুত অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্টদের লিখিতভাবে জানিয়েছি। কিন্তু আজও গাছটি সরানো হয়নি৷ মূলত আমরা বাধ্য হয়ে ঝুঁকি থাকার পরও ছেলে-মেয়েদের পাঠদান করাচ্ছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল খালেক পাটোয়ারী বলেন, স্কুল ভবনে পড়ে থাকা ওই গাছটি অপসারণের জন্য বন বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এম এ মালেক/এনএইচআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow