স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন
কুষ্টিয়ায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী আব্দুল আওয়ালকে (৪২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদণ্ডের আদেশ দেন। বুধবার (০৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. এনায়েত কবীর সরকার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত আব্দুল আওয়াল (৪২) কুষ্টিয়া সদরের হরিনারায়নপুর কুন্ডুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল করীম বিশ্বাসের ছেলে। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২৯ জানুয়ারি ২০২০ সালের সকাল ৮টায় ৩ সন্তানের জননী স্ত্রী শাহানা খাতুন ওরফে জাহানারা খাতুনের (৩০) সঙ্গে আসামির পরকীয়া সম্পর্কের জের ধরে ঝগড়া-বিবাদ সৃষ্টি হয়। নিহত শাহানা তার স্বামীর পরকীয়া প্রেমিকাকে অবৈধ সম্পর্কের প্রতিবাদ করে। এতে নিহতের স্বামী আসামি আব্দুল আওয়াল তার নিজ বাড়ি সদর উপজেলার হরিনারায়নপুর কুন্ডুপাড়ায় প্রকাশ্যে বাড়ির অন্যদের সামনে ধারালো হাসুয়া দিয়ে স্ত্রী শাহানা খাতুনের দেহের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত করে। এতে স্ত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যান। ঘটনার সময় আসামির মা বাঁচাতে গেলে আসামি তার মাকেও হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে
কুষ্টিয়ায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী আব্দুল আওয়ালকে (৪২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
বুধবার (০৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. এনায়েত কবীর সরকার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত আব্দুল আওয়াল (৪২) কুষ্টিয়া সদরের হরিনারায়নপুর কুন্ডুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল করীম বিশ্বাসের ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২৯ জানুয়ারি ২০২০ সালের সকাল ৮টায় ৩ সন্তানের জননী স্ত্রী শাহানা খাতুন ওরফে জাহানারা খাতুনের (৩০) সঙ্গে আসামির পরকীয়া সম্পর্কের জের ধরে ঝগড়া-বিবাদ সৃষ্টি হয়। নিহত শাহানা তার স্বামীর পরকীয়া প্রেমিকাকে অবৈধ সম্পর্কের প্রতিবাদ করে। এতে নিহতের স্বামী আসামি আব্দুল আওয়াল তার নিজ বাড়ি সদর উপজেলার হরিনারায়নপুর কুন্ডুপাড়ায় প্রকাশ্যে বাড়ির অন্যদের সামনে ধারালো হাসুয়া দিয়ে স্ত্রী শাহানা খাতুনের দেহের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত করে। এতে স্ত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যান।
ঘটনার সময় আসামির মা বাঁচাতে গেলে আসামি তার মাকেও হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন। এ সময় ভুক্তভোগীদের চিৎকার শুনে আশপাশের প্রতিবেশীরা ছুটে গিয়ে আসামিকে আটক করে নিকটস্থ ইবি থানা পুলিশে খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে ইবি থানার পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের সুরতহাল প্রস্তুত করে মরদেহ ময়নাতদন্তে মর্গে প্রেরণ করে এবং আসামি আব্দুল আওয়ালকে থানায় নিয়ে যান। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই ঘটনার দিনই সদর উপজেলার উত্তর মাগুরা গ্রামের মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে মো. শফিউদ্দিন বাদী হয়ে আব্দুল আওয়ালকে একমাত্র এজাহার নামীয় আসামি করে ইবি থানার হত্যা মামলা করেন।
মামলাটি তদন্ত শেষে ইবি থানা পুলিশের উপপরিদর্শক শাহ আলী মিয়া ২০২০ সালের ০৩ মার্চ মামলার একমাত্র আসামি আব্দুল আওয়ালের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগ এনে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট খন্দকার সিরাজুল ইসলাম জানান, ইবি থানার এই স্ত্রী হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আসামি আব্দুল আওয়ালের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ দীর্ঘদিন সাক্ষ্য শুনানি শেষে সন্দেহাতীত প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ ৫০ হাজার টাকার জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছরের সাজা খাটার আদেশ দেন।
What's Your Reaction?