স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধলা গ্রামে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে রেজাউল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে অতিরিক্ত ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. গোলাম কবির এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের নথি ও মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর মেহেরপুর সদর উপজেলার ধলা গ্রামে নিজ বাড়িতে স্ত্রী জাহানারা খাতুনকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন রেজাউল ইসলাম। হত্যার পর ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তিনি লাশ গোপনের চেষ্টা করেন এবং স্বাভাবিক মৃত্যুর গল্প সাজানোর উদ্যোগ নেন। তবে পুলিশি তদন্তে ঘটনাস্থল থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উঠে আসে, নিহত জাহানারা খাতুনের মৃত্যু শ্বাসরোধে হত্যার ফল। পাশাপাশি প্রতিবেশী ও স্বজনদের সাক্ষ্য এবং আসামির আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি মামলায় অপরাধ প্রমাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে রেজাউল ইসলাম জানান, বিবাহের ২৫ বছর পরও স্ত্রীর পরকীয়

স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধলা গ্রামে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে রেজাউল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে অতিরিক্ত ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. গোলাম কবির এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের নথি ও মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর মেহেরপুর সদর উপজেলার ধলা গ্রামে নিজ বাড়িতে স্ত্রী জাহানারা খাতুনকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন রেজাউল ইসলাম। হত্যার পর ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তিনি লাশ গোপনের চেষ্টা করেন এবং স্বাভাবিক মৃত্যুর গল্প সাজানোর উদ্যোগ নেন।

তবে পুলিশি তদন্তে ঘটনাস্থল থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উঠে আসে, নিহত জাহানারা খাতুনের মৃত্যু শ্বাসরোধে হত্যার ফল। পাশাপাশি প্রতিবেশী ও স্বজনদের সাক্ষ্য এবং আসামির আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি মামলায় অপরাধ প্রমাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে রেজাউল ইসলাম জানান, বিবাহের ২৫ বছর পরও স্ত্রীর পরকীয়া সংক্রান্ত সন্দেহ ও দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের জেরেই তিনি এ হত্যাকাণ্ড ঘটান। ঘটনার পর প্রথমে বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করলেও পরে তিনি সত্য স্বীকার করেন।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও পাবলিক প্রসিকিউটর নজরুল ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ যথাযথভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হওয়ায় আদালত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করেছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow