স্ত্রীকে হত্যার পর রক্তাক্ত মরদেহ কাঁধে হাসপাতালে স্বামী

পারিবারিক কলহের জেরে ছুরিকাঘাতে স্ত্রীকে হত্যার পর রক্তাক্ত মরদেহ কাঁধে করে হাসপাতালে নিয়ে হাজির হন স্বামী। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল ৮টার দিকে উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড পাগলিরবিল এলাকায় চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা ওই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। এ ঘটনায় গৃহবধূর শাশুড়িকেও থানা হেফাজতে নিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহত পারভীন আক্তার (২৮) হলদিয়াপালং ইউনিয়নের পাতাবাড়ি এলাকার আবদুল গফুরের মেয়ে। স্বামী আবদুল আলম (৩২) পাগলিরবিল এলাকার শামসুল আলমের ছেলে। তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। নিহতের ছোট বোন ইয়াসমি আক্তার বলেন, ‘আমার বোনের স্বামী গভীর রাতে বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে পড়েন। সকাল ৭টার দিকে ঘুম থেকে উঠে খেতে বসেন। এসময় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করেন।’ ‘এসময় রাগ করে আমার বোন বাপের বাড়ি যাওয়ার জন্য উঠোনে বের হলে পেছন দিক থেকে ঘাড়ে ছুরিকাঘাত করেন তার স্বামী,’ যোগ করেন তিনি। ইয়াসমি আক্তার আরও বলেন, ‘এসময় রক্তাক্ত অবস্থায় কাঁধে করে হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি। পরবর্তীতে হাসপাতালের লোকজন পুলিশে খবর দিল

স্ত্রীকে হত্যার পর রক্তাক্ত মরদেহ কাঁধে হাসপাতালে স্বামী

পারিবারিক কলহের জেরে ছুরিকাঘাতে স্ত্রীকে হত্যার পর রক্তাক্ত মরদেহ কাঁধে করে হাসপাতালে নিয়ে হাজির হন স্বামী। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল ৮টার দিকে উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড পাগলিরবিল এলাকায় চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা ওই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। এ ঘটনায় গৃহবধূর শাশুড়িকেও থানা হেফাজতে নিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহত পারভীন আক্তার (২৮) হলদিয়াপালং ইউনিয়নের পাতাবাড়ি এলাকার আবদুল গফুরের মেয়ে। স্বামী আবদুল আলম (৩২) পাগলিরবিল এলাকার শামসুল আলমের ছেলে। তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন।

নিহতের ছোট বোন ইয়াসমি আক্তার বলেন, ‘আমার বোনের স্বামী গভীর রাতে বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে পড়েন। সকাল ৭টার দিকে ঘুম থেকে উঠে খেতে বসেন। এসময় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করেন।’

‘এসময় রাগ করে আমার বোন বাপের বাড়ি যাওয়ার জন্য উঠোনে বের হলে পেছন দিক থেকে ঘাড়ে ছুরিকাঘাত করেন তার স্বামী,’ যোগ করেন তিনি।

ইয়াসমি আক্তার আরও বলেন, ‘এসময় রক্তাক্ত অবস্থায় কাঁধে করে হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি। পরবর্তীতে হাসপাতালের লোকজন পুলিশে খবর দিলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে তাকে থানায় নিয়ে যায়।’

নিহতের ভাই সৌদি প্রবাসী কামাল উদ্দিন বলেন, ‘নিহতের স্বামী রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। তাদের তিন সন্তান রয়েছে। আমরা বিভিন্ন সময় সহযোগিতা দিয়ে আসলেও তাদের মধ্যে অভাব-অনটন লেগে থাকতো।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিন বলেন, ‘মূলত পারিবারিক অভাব-অনটন থেকে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীকে আঘাত করেন তিনি। যদিও উভয়পক্ষ এখন পরস্পরকে দোষারোপ করছে।’

উখিয়া থানার ওসি মুজিবুর রহমান বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাধ্যমে খবর পেয়ে অভিযুক্ত ও তার মাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে নিয়ে এসেছে। একইসঙ্গে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow