স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কর্তন, কারণ জানালেন স্বামী

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় এক নার্সের হাত-পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তার স্বামী আরিফুল ইসলামকে আটক করেছে মদন থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে মদন পৌরসদরের বাড়িভাদেরা রোডের একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। আহত মারুফা আক্তার (২৭) মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।  অভিযুক্ত আরিফুল ইসলামের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলায় এবং মারুফা আক্তারের বাড়ি নেত্রকোনা সদর উপজেলার মদনপুর এলাকায়।  পুলিশ ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আরিফুল ইসলামের সঙ্গে প্রায় ১০ বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে মারুফার বিয়ে হয়। তাদের ৭ বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। প্রায় ৬ মাস আগে মারুফা মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তিনি পৌর সদরের বাড়িভাদেরা রোডের একটি ভাড়া বাসায় স্বামীর সঙ্গে বসবাস করছিলেন।  পারিবারিক কলহের জেরে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হতো। বৃহস্পতিবার সকালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র কলহের একপর্যায়ে আরিফুল তার মারুফার হাত ও পায়ের রগ কেটে দেন। গ

স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কর্তন, কারণ জানালেন স্বামী
নেত্রকোনার মদন উপজেলায় এক নার্সের হাত-পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তার স্বামী আরিফুল ইসলামকে আটক করেছে মদন থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে মদন পৌরসদরের বাড়িভাদেরা রোডের একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। আহত মারুফা আক্তার (২৭) মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।  অভিযুক্ত আরিফুল ইসলামের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলায় এবং মারুফা আক্তারের বাড়ি নেত্রকোনা সদর উপজেলার মদনপুর এলাকায়।  পুলিশ ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আরিফুল ইসলামের সঙ্গে প্রায় ১০ বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে মারুফার বিয়ে হয়। তাদের ৭ বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। প্রায় ৬ মাস আগে মারুফা মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তিনি পৌর সদরের বাড়িভাদেরা রোডের একটি ভাড়া বাসায় স্বামীর সঙ্গে বসবাস করছিলেন।  পারিবারিক কলহের জেরে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হতো। বৃহস্পতিবার সকালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র কলহের একপর্যায়ে আরিফুল তার মারুফার হাত ও পায়ের রগ কেটে দেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আটক আরিফুল দাবি করেন, কলেজ জীবন থেকে শুরু করে স্ত্রীকে লেখাপড়ায় সহায়তা করেছেন তিনি। তবে স্ত্রীর নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে তিনি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। মদন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নূরুল হুদা খান জানান, আহত নার্স মারুফা আক্তারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার স্বামী আরিফুলকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। মদন থানার ওসি হাসনাত জামান বলেন, খবর পেয়ে আরিফুল ইসলামকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow