স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়নে বরাদ্দ ৪১ হাজার কোটি টাকা
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪১ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা সম্প্রসারণ, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ এবং দারিদ্র্য বিমোচনে এ টাকা ব্যয় করা হবে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট বক্তব্যে এসব তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে গ্রাম ও শহরে নাগরিক সেবার পরিধি বাড়ানো এবং টেকসই অবকাঠামো গড়ে তুলতে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এ লক্ষ্যে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, শতভাগ স্যানিটেশন নিশ্চিতকরণ এবং ড্রেনেজ ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। একই সঙ্গে গ্রামীণ সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ এবং রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। আরও পড়ুন কৃষক কার্ডে বরাদ্দ ১ হাজার ৬২ কোটি; পাবে সাড়ে ৪২ লাখ কৃষক অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার সড়ক, সেতু, গ্রোথ সেন্টার ও সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণের মাধ্যমে যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়ন এবং দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা নিয়েছ
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪১ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা সম্প্রসারণ, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ এবং দারিদ্র্য বিমোচনে এ টাকা ব্যয় করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট বক্তব্যে এসব তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে গ্রাম ও শহরে নাগরিক সেবার পরিধি বাড়ানো এবং টেকসই অবকাঠামো গড়ে তুলতে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এ লক্ষ্যে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, শতভাগ স্যানিটেশন নিশ্চিতকরণ এবং ড্রেনেজ ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। একই সঙ্গে গ্রামীণ সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ এবং রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার সড়ক, সেতু, গ্রোথ সেন্টার ও সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণের মাধ্যমে যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়ন এবং দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা নিয়েছে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ এবং ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
ডিজিটাল জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোতে বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পুনঃখনন, ড্রেন সংস্কার ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা উন্নয়নের কাজ জোরদার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এমএমএ/একিউএফ
What's Your Reaction?
