স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে পিটিয়ে হত্যা

মুন্সিগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের এক সমর্থককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নের চর আব্দুল্লাহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।  নিহতের নাম- জসিম নায়েব (৩০)। তিনি উপজেলার আধারা ইউনিয়নের চর আবদুল্লাহ গ্রামের মাফিক নায়েবের ছেলে। পুলিশ জানায়, শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মুন্সীগঞ্জ সদরের চর আব্দুল্লাহ এলাকায় একই এলাকার বিএনপির সমর্থক ফয়সালের (৩৪) সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের সমর্থক মহসিন নায়েব (২৫), মশু নায়েব (৩৮) ও মামুন নায়েব (৩৫) এর নির্বাচন-সংক্রান্ত ফলাফল নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারধরে রূপ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা ফয়সালকে মারধর করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। পরবর্তীতে দুপুরে দুগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে জসিম নায়েব গুরুতর আহত হন। স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৭টার দিকে তিনি মারা যান। নিহতের

স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে পিটিয়ে হত্যা
মুন্সিগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের এক সমর্থককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নের চর আব্দুল্লাহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।  নিহতের নাম- জসিম নায়েব (৩০)। তিনি উপজেলার আধারা ইউনিয়নের চর আবদুল্লাহ গ্রামের মাফিক নায়েবের ছেলে। পুলিশ জানায়, শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মুন্সীগঞ্জ সদরের চর আব্দুল্লাহ এলাকায় একই এলাকার বিএনপির সমর্থক ফয়সালের (৩৪) সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের সমর্থক মহসিন নায়েব (২৫), মশু নায়েব (৩৮) ও মামুন নায়েব (৩৫) এর নির্বাচন-সংক্রান্ত ফলাফল নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারধরে রূপ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা ফয়সালকে মারধর করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। পরবর্তীতে দুপুরে দুগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে জসিম নায়েব গুরুতর আহত হন। স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৭টার দিকে তিনি মারা যান। নিহতের বড় ভাই মো. মশিউর রহমান অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির ছেলের নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক সমর্থক তাদের বাড়িতে হামলা চালায় এবং তার ভাইকে মারধর করে। হামলার পর অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত ঢাকায় নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি। মুন্সীগঞ্জ সদর সার্কেলের (সদর-গজারিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন বলেন, ঘটনার বিষয়ে পুলিশ অবগত রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow