‘স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কারও সঙ্গে কোনো আপস নয়’
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, এই দেশ আপনার, আমার, আমাদের সবার। এ দেশকে আমাদেরই রক্ষা করতে হবে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কারও সঙ্গে কোনো আপস (কম্প্রমাইজ) করা হবে না। বাংলাদেশের এক ইঞ্চি জায়গা, এমনকি একটি বালুকণার ওপরেও কাউকে অন্যায়ভাবে পা রাখতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে বিজিবির পাশাপাশি আমরা সবাই দেশপ্রেম ও ঈমানী শক্তি নিয়ে সীমান্তে পাশে গিয়ে দাঁড়াব।
শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল ১০টায় নেত্রকোণা সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাদক সমস্যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে সংসদে একটি বিল এনেছে। কিন্তু আমরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং এটি সম্পূর্ণ নির্মূলের জোর দাবি জানাচ্ছি। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের অর্থ হলো একে কিছুটা দাবিয়ে রাখা, যা আমরা চাই না। আমরা চাই সমাজ থেকে মাদককে একেবারে উপড়ে ফেলতে। কারণ, মাদককে লালন করে সমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, এই দেশ আপনার, আমার, আমাদের সবার। এ দেশকে আমাদেরই রক্ষা করতে হবে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কারও সঙ্গে কোনো আপস (কম্প্রমাইজ) করা হবে না। বাংলাদেশের এক ইঞ্চি জায়গা, এমনকি একটি বালুকণার ওপরেও কাউকে অন্যায়ভাবে পা রাখতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে বিজিবির পাশাপাশি আমরা সবাই দেশপ্রেম ও ঈমানী শক্তি নিয়ে সীমান্তে পাশে গিয়ে দাঁড়াব।
শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল ১০টায় নেত্রকোণা সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাদক সমস্যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে সংসদে একটি বিল এনেছে। কিন্তু আমরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং এটি সম্পূর্ণ নির্মূলের জোর দাবি জানাচ্ছি। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের অর্থ হলো একে কিছুটা দাবিয়ে রাখা, যা আমরা চাই না। আমরা চাই সমাজ থেকে মাদককে একেবারে উপড়ে ফেলতে। কারণ, মাদককে লালন করে সমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সংসদে সম্প্রতি একজন সদস্য বলেছেন, মাদকের সবচেয়ে বড় চালান আসে খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকা দিয়ে, অথচ তিনি তা জানেন না! কারা এর সঙ্গে জড়িত তা সবার জানা। আমরা দেখতে চাই, মন্ত্রী মহোদয় তার মন্ত্রণালয়ের শুদ্ধি অভিযান নিজের এলাকা ও বাড়ি থেকেই শুরু করবেন।
নেত্রকোণা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা ছাদেক আহমাদ হারিছের সভাপতিত্বে এবং জেলা সহকারী সেক্রেটারি ও প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক জহিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সাহাবুদ্দিন এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও অঞ্চলের টিম সদস্য মনজুরুল ইসলাম ভূঁইয়া।
এ সময় অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- নেত্রকোণা-৫ (পূর্বধলা) আসনের সংসদ সদস্য মাসুম মোস্তফা, জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা মাহবুবুর রহমান, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওলানা কামাল উদ্দিন এবং নেত্রকোণা পৌর জামায়াতের নায়েবে আমির আবুল হোসেন তালুকদারসহ স্থানীয় নেতারা।