'স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে'

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান ও সাবেক উপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় পতাকা রক্ষার স্বার্থে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ সব রাজনৈতিক শক্তিকে আজ ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি বলেন, বিদেশি হায়েনাদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে এবং বিদেশিদের এ দেশ থেকে বিতাড়িত করতে দল-মত, জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় গোপালপুর উপজেলার মির্জাপুর হাতেম আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণা জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “আগামী ১২ তারিখে সবাই সকাল সকাল ভোট দিতে যাবেন। দলবল, জাতি ও ধর্ম নির্বিশেষে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাদের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। ১২ তারিখ হবে বাংলাদেশের নতুন স্বাধীনতার দিন এবং নতুনভাবে ইসলামের প্রতিষ্ঠার দিন।” অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু আরও বলেন, “আমি যদি নির্বাচিত হই, ইনশাল্লাহ বাংলাদেশে মাদক থাকবে না, সন্ত্রাস থাকবে না, চাঁদাবাজি থাকবে না, দুর্নীতি থাকবে না। মির্জাপুর ইউনিয়নকে একটি সুন্দ

'স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে'

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান ও সাবেক উপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় পতাকা রক্ষার স্বার্থে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ সব রাজনৈতিক শক্তিকে আজ ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

তিনি বলেন, বিদেশি হায়েনাদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে এবং বিদেশিদের এ দেশ থেকে বিতাড়িত করতে দল-মত, জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় গোপালপুর উপজেলার মির্জাপুর হাতেম আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণা জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “আগামী ১২ তারিখে সবাই সকাল সকাল ভোট দিতে যাবেন। দলবল, জাতি ও ধর্ম নির্বিশেষে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাদের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। ১২ তারিখ হবে বাংলাদেশের নতুন স্বাধীনতার দিন এবং নতুনভাবে ইসলামের প্রতিষ্ঠার দিন।”

অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু আরও বলেন, “আমি যদি নির্বাচিত হই, ইনশাল্লাহ বাংলাদেশে মাদক থাকবে না, সন্ত্রাস থাকবে না, চাঁদাবাজি থাকবে না, দুর্নীতি থাকবে না। মির্জাপুর ইউনিয়নকে একটি সুন্দর ও আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলা হবে। ইউনিয়নের রাস্তাঘাটসহ সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।”

তিনি বলেন, দেশকে ধ্বংস করার জন্য নানা চক্রান্ত চলছে। যুবসমাজকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তাদের হাতে ফেনসিডিল, হেরোইন ও গাঁজার মতো মাদক তুলে দেওয়া হয়েছে। কারণ যুবসমাজ ধ্বংস হলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে। যুবসমাজই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাই তাদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, চাকরির সুযোগ এবং শিক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, গ্রামের সহজ-সরল নারীদের বিভ্রান্ত করে বলা হচ্ছে—নির্দিষ্ট জায়গায় ভোট দিলে জান্নাত পাওয়া যাবে। অথচ জান্নাত দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ। আল্লাহর কাজ অন্য কারও সঙ্গে তুলনা করা শিরক। যারা শিরক করে, তারা কীভাবে ইসলামের দাবি করে—সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

নির্বাচনী জনসভায় মির্জাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. মির্জা আশরাফুল ইসলাম (লুলু)-এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম রুবেল, সাধারণ সম্পাদক কাজী লিয়াকত, সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম, বিএনপি নেতা খালিদ হাসান উথান, শহর বিএনপির সাবেক সভাপতি শাজাহান ভিপি, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এহসানুল হক চৌধুরী ওপেল, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম তালুকদার লেলিন, সদস্য সচিব বদিউজ্জামান রানাসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow