স্বাভাবিক মৃত্যু বলে লাশ হস্তান্তর, গোসলে নিয়ে দেখা গেল আঘাতের চিহ্ন
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বিপ্লব শেখ (২৭) নামের এক কারখানা শ্রমিকের মৃত্যু নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। পরিবারের কাছে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে মরদেহ পাঠালেও গোসল করাতে গেলে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ডের মিতালি মার্কেটে যুবকের মরদেহ পাওয়া যায়। নিহত যুবক মুন্সিগঞ্জের সদর থানার খোরশেদ শেখের ছেলে। জানা গেছে, ওই যুবক দীর্ঘ আট বছর যাবত সিদ্ধিরগঞ্জে বসবাস করে বিভিন্ন কারখানায় দর্জি হিসেবে কাজ করেছেন। মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি মিতালি মার্কেটের আসাদুজ্জামান আসাদ নামের এক ব্যবসায়ীর কারখানায় কর্মরত ছিলেন। আজ সকালে হঠাৎ কারখানার মালিকপক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে মৃত্যুর খবর জানানো হয়। পরবর্তীতে পরিবার আসলে তাদের কাছে স্ট্রোক করে মৃত্যু হয়েছে বলে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হয়। পরিবার মরদেহ গ্রামে নিয়ে গোসল করাতে গিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান। নিহতের বড় বোন সীমা আক্তার তার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, আমার ভাইয়ের মৃত্যু নিয়ে কারখানার মালিক ও মার্কেটের সভাপতি ভিন্ন ভিন্ন কথা বলেছেন। প্রথমে তারা স্ট্রোক কর
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বিপ্লব শেখ (২৭) নামের এক কারখানা শ্রমিকের মৃত্যু নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। পরিবারের কাছে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে মরদেহ পাঠালেও গোসল করাতে গেলে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ডের মিতালি মার্কেটে যুবকের মরদেহ পাওয়া যায়। নিহত যুবক মুন্সিগঞ্জের সদর থানার খোরশেদ শেখের ছেলে।
জানা গেছে, ওই যুবক দীর্ঘ আট বছর যাবত সিদ্ধিরগঞ্জে বসবাস করে বিভিন্ন কারখানায় দর্জি হিসেবে কাজ করেছেন। মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি মিতালি মার্কেটের আসাদুজ্জামান আসাদ নামের এক ব্যবসায়ীর কারখানায় কর্মরত ছিলেন। আজ সকালে হঠাৎ কারখানার মালিকপক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে মৃত্যুর খবর জানানো হয়। পরবর্তীতে পরিবার আসলে তাদের কাছে স্ট্রোক করে মৃত্যু হয়েছে বলে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হয়। পরিবার মরদেহ গ্রামে নিয়ে গোসল করাতে গিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান।
নিহতের বড় বোন সীমা আক্তার তার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, আমার ভাইয়ের মৃত্যু নিয়ে কারখানার মালিক ও মার্কেটের সভাপতি ভিন্ন ভিন্ন কথা বলেছেন। প্রথমে তারা স্ট্রোক করে মৃত্যু হয়েছে বললেও পরবর্তী আবার ওয়াশরুমে পড়ে মৃত্যু হয় বলে জানান।
তিনি বলেন, আমাদের খবর দেওয়া হলে এখানে আসার পর সাইনবোর্ডের প্রো অ্যাকটিভ হাসপাতালের সামনে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখি। একপর্যায়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ ও মার্কেটটির সভাপতি আমার ভাই স্ট্রোক করে মৃত্যু হয়েছে বলে তড়িঘড়ি করে মরদেহ বুঝিয়ে গাড়িতে তুলে দেন।
পরবর্তীতে আমরা মরদেহ গোসল করাতে গিয়ে শরীরে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়ে আমাদের গ্রামের সংশ্লিষ্ট থানায় মরদেহ নিয়ে যাই। থানায় যাওয়ার পর আমাদের সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান জাগো নিউজকে বলেছেন, ধারণা করা যাচ্ছে নিহত শ্রমিক মিতালি মার্কেটের ভবনের ভেতর কোথাও পড়ে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। মার্কেটের মানুষজনও এমনটাই জানিয়েছেন। তবে নিহতের পরিবারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা তদন্ত করে দেখছি। বর্তমানে আমরা মার্কেটটিতে অবস্থান করছি। বিস্তারিত তদন্তের পর বলা যাবে।
মো. আকাশ/এমআরএম
What's Your Reaction?