স্বাস্থ্য-শপিংসহ সবকিছুতে গাইড করবে মেটার সুপারইন্টেলিজেন্স এআই

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে যাচ্ছে। ‘মেটা সুপারইন্টেলিজেন্স ল্যাবস’ নামে একটি গবেষণা উদ্যোগ চালু করেছে। প্রায় নয় মাস আগে শুরু হওয়া এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা সুপারইন্টেলিজেন্স সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, যাতে তারা নিজেদের লক্ষ্য ও স্বপ্ন পূরণে প্রযুক্তির শক্তিকে কাজে লাগাতে পারে। এ উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ। এই প্রকল্পের অধীনে মেটা এরইমধ্যে তাদের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ‘মিউজ (Muse)’ নামে নতুন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল সিরিজ উন্মোচন করেছে। এই সিরিজের প্রথম মডেলটির নাম ‘স্পার্ক (Spark)’। নতুন এই মডেলটি ব্যবহার করা হচ্ছে উন্নত সংস্করণের মেটা এআই-এ, যা ব্যবহারকারীদের জন্য আরও শক্তিশালী ডিজিটাল সহকারী হিসেবে কাজ করবে। মেটা জানিয়েছে, নতুন মেটা এআই বিশেষ করে ভিজ্যুয়াল বা ছবি বিশ্লেষণ, স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট, অনলাইন কেনাকাটা এবং গেমিং সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে দক্ষতার সঙ্গে সহায়তা করতে পারবে।

স্বাস্থ্য-শপিংসহ সবকিছুতে গাইড করবে মেটার সুপারইন্টেলিজেন্স এআই

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে যাচ্ছে। ‘মেটা সুপারইন্টেলিজেন্স ল্যাবস’ নামে একটি গবেষণা উদ্যোগ চালু করেছে। প্রায় নয় মাস আগে শুরু হওয়া এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা সুপারইন্টেলিজেন্স সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, যাতে তারা নিজেদের লক্ষ্য ও স্বপ্ন পূরণে প্রযুক্তির শক্তিকে কাজে লাগাতে পারে। এ উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ।

এই প্রকল্পের অধীনে মেটা এরইমধ্যে তাদের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ‘মিউজ (Muse)’ নামে নতুন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল সিরিজ উন্মোচন করেছে। এই সিরিজের প্রথম মডেলটির নাম ‘স্পার্ক (Spark)’। নতুন এই মডেলটি ব্যবহার করা হচ্ছে উন্নত সংস্করণের মেটা এআই-এ, যা ব্যবহারকারীদের জন্য আরও শক্তিশালী ডিজিটাল সহকারী হিসেবে কাজ করবে।

মেটা জানিয়েছে, নতুন মেটা এআই বিশেষ করে ভিজ্যুয়াল বা ছবি বিশ্লেষণ, স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট, অনলাইন কেনাকাটা এবং গেমিং সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে দক্ষতার সঙ্গে সহায়তা করতে পারবে। ব্যবহারকারীরা চাইলে মেটা অ্যাপের মাধ্যমে কিংবা meta.ai ওয়েবসাইটে গিয়ে এই নতুন এআই সেবাটি ব্যবহার করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানটির পরিকল্পনা অনুযায়ী ভবিষ্যতে আরও উন্নত ও শক্তিশালী এআই মডেল উন্মুক্ত করা হবে, যার মধ্যে কিছু ওপেন সোর্স হিসেবেও প্রকাশ করা হতে পারে। মেটা এমন প্রযুক্তি তৈরি করতে চায় যা শুধু প্রশ্নের উত্তর দেবে না, বরং ব্যবহারকারীর হয়ে বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম হবে অর্থাৎ এক ধরনের এআই এজেন্ট হিসেবে কাজ করবে।

মেটা মনে করছে, এই ধরনের উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ভবিষ্যতে সৃজনশীলতা, উদ্যোক্তা উদ্যোগ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যখাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে।

আরও পড়ুন
ফেসবুকের রিকমেন্ডেশন সাসপেন্ড হওয়ার কারণ
মেটাকে সরকারের চিঠি, উসকানিমূলক কনটেন্ট সরানোর অনুরোধ

সূত্র: ফেসবুক

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow