স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা হত্যা: রিমান্ড শেষে কারাগারে রিয়াজুল  

রাজধানীর রমনা এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা বিল্লাল হোসেন হত্যা মামলায় গ্রেফতার রিয়াজুল হাসানকে পাঁচদিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তদন্ত চলমান থাকায় তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন মঞ্জুর করেন বিচারক। সোমবার (১৫ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিয়াজুল হাসানকে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে গত ১০ জুন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন এ মামলায় তার পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। মামলার তথ্য অনুযায়ী, নিহত বিল্লাল হোসেন রমনা এলাকার আরাফাত মার্কেটে ব্যবসা করতেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে কয়েকজনের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জেরে গত ৮ জুন সন্ধ্যায় তাকে সালিশের কথা বলে আরাফাত মার্কেটের পেছনের একটি স্থানে ডেকে নেওয়া হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি বিল্লাল হোসেনকে ঘিরে ধরে

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা হত্যা: রিমান্ড শেষে কারাগারে রিয়াজুল   

রাজধানীর রমনা এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা বিল্লাল হোসেন হত্যা মামলায় গ্রেফতার রিয়াজুল হাসানকে পাঁচদিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তদন্ত চলমান থাকায় তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন মঞ্জুর করেন বিচারক।

সোমবার (১৫ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিয়াজুল হাসানকে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত ১০ জুন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন এ মামলায় তার পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, নিহত বিল্লাল হোসেন রমনা এলাকার আরাফাত মার্কেটে ব্যবসা করতেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে কয়েকজনের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জেরে গত ৮ জুন সন্ধ্যায় তাকে সালিশের কথা বলে আরাফাত মার্কেটের পেছনের একটি স্থানে ডেকে নেওয়া হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি বিল্লাল হোসেনকে ঘিরে ধরে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে তাকে লোহার রড, ক্রিকেট স্টাম্প ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। হামলার সময় তার বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পরদিন নিহতের স্ত্রী আছিয়া খাতুন বাদী হয়ে রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় দিদারুল ইসলাম বাবুসহ ২১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য আসামির সম্পৃক্ততা ও ঘটনার পেছনের কারণ উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

এমডিএএ/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow