স্মার্টফোন ব্যবহারে এগিয়ে কোন জেলা, জানাল জরিপ

দেশে স্মার্টফোন ব্যবহার দ্রুত বাড়লেও জেলা ও অঞ্চলের ভিত্তিতে ব্যবহারে রয়েছে স্পষ্ট পার্থক্য। কোথাও প্রযুক্তি ব্যবহারে এগিয়ে থাকা, আবার কোথাও পিছিয়ে থাকার চিত্র উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক জরিপে। বিশেষ করে স্মার্টফোন ব্যবহারে কোন জেলা শীর্ষে, তা নিয়েও এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অডিটোরিয়ামে প্রকাশিত সংস্থাটির সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, দেশে স্মার্টফোন ব্যবহারে শীর্ষে রয়েছে কুমিল্লা, আর সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে কুড়িগ্রাম। জরিপে বলা হয়েছে, দেশের তরুণ-তরুণীদের ডিজিটাল অভ্যাসে সবচেয়ে বড় জায়গা দখল করে আছে চাকরির তথ্য অনুসন্ধান। অনলাইনে প্রবেশ করলেই অধিকাংশ তরুণের লক্ষ্য থাকে সরকারি চাকরির খোঁজ। এর পাশাপাশি ক্রীড়াবিষয়ক তথ্যও তাদের আগ্রহের শীর্ষে রয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, দেশের তরুণ-তরুণীরা অনলাইনে সবচেয়ে বেশি সার্চ করেন সরকারি চাকরির তথ্য। এর হার ৬৪ দশমিক ২ শতাংশ। এর পরেই রয়েছে ক্রীড়া সংক্রান্ত তথ্য। এটি ৪৯ দশমিক ৮ শতাংশ। এছাড়া প্রতিদিন ৭২ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ অন্তত একবার ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রেও রয়েছে বৈষম্য। পরিবার

স্মার্টফোন ব্যবহারে এগিয়ে কোন জেলা, জানাল জরিপ
দেশে স্মার্টফোন ব্যবহার দ্রুত বাড়লেও জেলা ও অঞ্চলের ভিত্তিতে ব্যবহারে রয়েছে স্পষ্ট পার্থক্য। কোথাও প্রযুক্তি ব্যবহারে এগিয়ে থাকা, আবার কোথাও পিছিয়ে থাকার চিত্র উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক জরিপে। বিশেষ করে স্মার্টফোন ব্যবহারে কোন জেলা শীর্ষে, তা নিয়েও এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অডিটোরিয়ামে প্রকাশিত সংস্থাটির সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, দেশে স্মার্টফোন ব্যবহারে শীর্ষে রয়েছে কুমিল্লা, আর সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে কুড়িগ্রাম। জরিপে বলা হয়েছে, দেশের তরুণ-তরুণীদের ডিজিটাল অভ্যাসে সবচেয়ে বড় জায়গা দখল করে আছে চাকরির তথ্য অনুসন্ধান। অনলাইনে প্রবেশ করলেই অধিকাংশ তরুণের লক্ষ্য থাকে সরকারি চাকরির খোঁজ। এর পাশাপাশি ক্রীড়াবিষয়ক তথ্যও তাদের আগ্রহের শীর্ষে রয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, দেশের তরুণ-তরুণীরা অনলাইনে সবচেয়ে বেশি সার্চ করেন সরকারি চাকরির তথ্য। এর হার ৬৪ দশমিক ২ শতাংশ। এর পরেই রয়েছে ক্রীড়া সংক্রান্ত তথ্য। এটি ৪৯ দশমিক ৮ শতাংশ। এছাড়া প্রতিদিন ৭২ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ অন্তত একবার ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রেও রয়েছে বৈষম্য। পরিবারভিত্তিক ব্যবহারে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা। এটি ৬৫ দশমিক ৪ শতাংশ পরিবার। আর সর্বনিম্ন ময়মনসিংহে, যা ৩৭ দশমিক ৮ শতাংশ পরিবার। গত তিন মাসে ১১ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ অনলাইনে পণ্য বা সেবা ক্রয় করেছেন। আর গত এক বছরে ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ অনলাইনে সরকারি সেবা গ্রহণ করেছেন। দেশে অনলাইন দক্ষতার মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে কপি-পেস্ট করার সক্ষমতা। এটি ৮৪ দশমিক ৪ শতাংশ। ডিজিটাল ঝুঁকির ক্ষেত্রে ৫০ দশমিক ৫ শতাংশ ব্যবহারকারী ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার সংক্রমণের মুখে পড়েছেন। পরিবার পর্যায়ে মোবাইল ফোনে প্রবেশাধিকার রয়েছে ৯৮ দশমিক ৯ শতাংশের, ইন্টারনেট ৫৫ দশমিক ১ শতাংশ এবং কম্পিউটার মাত্র ৯ দশমিক ০ শতাংশ। ব্যক্তি পর্যায়ে মোবাইল ব্যবহার করেন ৮৮ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ, ইন্টারনেট ব্যবহার করেন ৫৩ দশমিক ৪ শতাংশ এবং কম্পিউটার ব্যবহার করেন ১১ দশমিক ৩ শতাংশ। ইন্টারনেট ব্যবহারে শহর-গ্রামে রয়েছে বড় ধরনের বৈষম্য। গ্রামে ৪৩ দশমিক ৬ শতাংশ, শহরে ৭৫ দশমিক ৭ শতাংশ। মোবাইল মালিকানায় পুরুষরা এগিয়ে। এর হার ৭০ দশমিক ০ শতাংশ, যেখানে নারীর হার ৫৮ দশমিক ৯ শতাংশ। ইন্টারনেট ব্যবহারে পুরুষ ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ এবং নারী ৫০ দশমিক ২ শতাংশ। বেশি দামের কারণে ৪৩ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট সেবা গ্রহণ করেন না। এছাড়া মুঠোফোনে রেডিও শোনার প্রবণতা বাড়ছে, বিপরীতে কমছে টেলিভিশনের ব্যবহার; জরিপে এমন তথ্যও উঠে এসেছে। আইসিটির উন্নয়নে বাংলাদেশ এখনও মায়ানমার ও শ্রীলঙ্কার চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। যদিও দেশে ৯৮ দশমিক ৯ শতাংশ পরিবার মুঠোফোন ব্যবহার করছে এবং স্মার্টফোন রয়েছে ৭২ দশমিক ৭ শতাংশ পরিবারের হাতে। একই সঙ্গে ৯৮ দশমিক ৫ শতাংশ পরিবার বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow