স্যাটেলাইটের ছবিতে দেখুন ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পের পূর্বাপর অবস্থা
ভেনেজুয়েলায় গত ২৪ জুনের ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া জীবিতদের উদ্ধারে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করছেন উদ্ধারকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা। এখন পর্যন্ত এ দুর্যোগে অন্তত এক হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ভূমিকম্পের দুইদিন পর ২৬ জুন তোলা স্যাটেলাইট চীত্রে উপকূলীয় শহর মাকুতো ও কারাবাল্লেদায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র দেখা গেছে। ভূমিকম্পের আগে ও পরের ছবিতে দেখা যায়, বহু বহুতল আবাসিক ভবন ও অবকাশযাপন কেন্দ্র ধসে পড়েছে। বিশেষ করে সমুদ্রতীরবর্তী কারাবাল্লেদা শহরে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা সবচেয়ে বেশি। সেখানে সমুদ্রতীরের বহু ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। সরকারি হিসাবে, এখনো ৫১ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকারীরা জানান, জীবিতদের পাওয়ার সম্ভাবনা দ্রুত কমে আসায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। স্থানীয় সময় ২৪ জুন সন্ধ্যা ৬টার দিকে সান ফেলিপের কাছে মাত্র ৪০ সেকেন্ডের ব্যবধানে ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এরপর থেকে কর্তৃপক্ষ ৩০২টিরও বেশি আফটারশকের তথ্য নথিভুক্ত করেছে। দুর্যোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভবনধসে আটকে পড়া মানুষকে জ
ভেনেজুয়েলায় গত ২৪ জুনের ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া জীবিতদের উদ্ধারে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করছেন উদ্ধারকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা। এখন পর্যন্ত এ দুর্যোগে অন্তত এক হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
ভূমিকম্পের দুইদিন পর ২৬ জুন তোলা স্যাটেলাইট চীত্রে উপকূলীয় শহর মাকুতো ও কারাবাল্লেদায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র দেখা গেছে।
ভূমিকম্পের আগে ও পরের ছবিতে দেখা যায়, বহু বহুতল আবাসিক ভবন ও অবকাশযাপন কেন্দ্র ধসে পড়েছে। বিশেষ করে সমুদ্রতীরবর্তী কারাবাল্লেদা শহরে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা সবচেয়ে বেশি। সেখানে সমুদ্রতীরের বহু ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।
সরকারি হিসাবে, এখনো ৫১ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকারীরা জানান, জীবিতদের পাওয়ার সম্ভাবনা দ্রুত কমে আসায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
স্থানীয় সময় ২৪ জুন সন্ধ্যা ৬টার দিকে সান ফেলিপের কাছে মাত্র ৪০ সেকেন্ডের ব্যবধানে ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এরপর থেকে কর্তৃপক্ষ ৩০২টিরও বেশি আফটারশকের তথ্য নথিভুক্ত করেছে।
দুর্যোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভবনধসে আটকে পড়া মানুষকে জীবিত উদ্ধারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় প্রথম ৭২ ঘণ্টা। এ সময়ের পর পানিশূন্যতা ও শ্বাসরোধের কারণে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা দ্রুত কমে যায়।
জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয় কার্যালয় (ওসিএইচএ) জানিয়েছে, ভূমিকম্পে অন্তত এক হাজার ৪২৩টি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে লা গুয়াইরা রাজ্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভূমিকম্পের পর দেশটির পরিবহন ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোও বন্ধ রয়েছে।
ক্যারিবীয় উপকূলে অবস্থিত প্রায় ৫৩ হাজার জনসংখ্যার শহর কারাবাল্লেদা বর্তমানে উদ্ধার তৎপরতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। পুরো এলাকার অনেক পাড়া ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ধসে পড়া ভবনের নিচে আটকে পড়াদের খুঁজে বের করতে উদ্ধারকর্মীরা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে বিধ্বস্ত এলাকায় ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিতেও চরম বেগ পেতে হচ্ছে।
সূত্র : আল জাজিরা
What's Your Reaction?