সড়কের পাশের গাছ যেন ‘মরণ ফাঁদ’
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় শতাধিক মরা গাছ পথচারীসহ এলাকার মানুষের জন্য এখন মরণ ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাস্তার পাশে লাগানো এসব গাছ ভেঙে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সম্প্রতি ঝড়, বৃষ্টিতে এসব মরা গাছ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন এ রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী বাসিন্দা ও যানবাহনের চালকরা। মরা গাছের ডাল ভেঙে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনাও। জানা যায়, জুড়ী - কুলাউড়া থেকে মৌলভীবাজার যাতায়াতের রাস্তার ব্রাহ্মণবাজার এলাকার দুপাশে লাগানো হয় কয়েক হাজার আকাশমনি গাছ। দীর্ঘদিন পূর্বে লাগানো এসব গাছ বর্তমানে পাতা ঝড়ে মরে গেছে। তবে মরা গাছগুলো কাটার কোনো ব্যবস্থা না করায় তা ঝুঁকিপূর্ণ ও মরণ ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় অল্প বাতাসেই ভেঙে পড়ছে এসব মরা গাছ ও গাছের ডালপালা। এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। এসব ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন রাস্তায় চলাচল করছেন যানবাহন ও পথচারীরা। এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা সিএনজিচালক আমিরুল হোসেন জানান, প্রতিদিন ব্রাক্ষণবাজার টু কুলাউড়া রাস্তায় চলাচল করতে হয় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। কয়েকদিন আগের ঝড়ে একটি গাছের ডাল ভেঙে পড়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছি। জানা যায়, গত বছর ব্রাহ্মণবা
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় শতাধিক মরা গাছ পথচারীসহ এলাকার মানুষের জন্য এখন মরণ ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাস্তার পাশে লাগানো এসব গাছ ভেঙে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সম্প্রতি ঝড়, বৃষ্টিতে এসব মরা গাছ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন এ রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী বাসিন্দা ও যানবাহনের চালকরা। মরা গাছের ডাল ভেঙে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনাও।
জানা যায়, জুড়ী - কুলাউড়া থেকে মৌলভীবাজার যাতায়াতের রাস্তার ব্রাহ্মণবাজার এলাকার দুপাশে লাগানো হয় কয়েক হাজার আকাশমনি গাছ। দীর্ঘদিন পূর্বে লাগানো এসব গাছ বর্তমানে পাতা ঝড়ে মরে গেছে। তবে মরা গাছগুলো কাটার কোনো ব্যবস্থা না করায় তা ঝুঁকিপূর্ণ ও মরণ ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় অল্প বাতাসেই ভেঙে পড়ছে এসব মরা গাছ ও গাছের ডালপালা। এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। এসব ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন রাস্তায় চলাচল করছেন যানবাহন ও পথচারীরা।
এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা সিএনজিচালক আমিরুল হোসেন জানান, প্রতিদিন ব্রাক্ষণবাজার টু কুলাউড়া রাস্তায় চলাচল করতে হয় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। কয়েকদিন আগের ঝড়ে একটি গাছের ডাল ভেঙে পড়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছি।
জানা যায়, গত বছর ব্রাহ্মণবাজার নাছনী এলাকার আব্দুল মুহিদ সুবিদ নামের এক ব্যবসায়ী রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় মিশন এলাকায় গাছের ডাল ভেঙে পড়ে নিহত হয়েছেন।
ব্রাক্ষণবাজার ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম বলেন, গাছগুলো মরে যাওয়ায় ওই রাস্তা দিয়ে মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। গাছগুলো কাটার জন্য প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করব।
কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা আক্তার বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত হয়েছি। এই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মৌলভীবাজার জেলার সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার হামিদ বলেন, এই বিষয় নিয়ে বন বিভাগকে চিঠি দিয়েছি। এখন পর্যন্ত কোনো জবাব পাইনি। জেলা প্রশাসকের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করেছি। মরা গাছগুলো শনাক্ত করে অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
What's Your Reaction?