সড়কের পাশে ময়লার স্তূপে পুলিশের সোর্সের মরদেহ

নরসিংদীর মাধবদীতে সড়কের পাশে থাকা ময়লার স্তূপ থেকে দিগন্ত (২০) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৯ জুন) সকালে নরসিংদী-মদনপুর সড়কের মাধবদীর খরমদী এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত দিগন্ত শেখেরচর এলাকার শফিকুর রহমানের ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে মাধবদীর বিরামপুরে ভাড়া বাসায় থাকতেন। পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করতেন দিগন্ত। পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়, রোববার বিকেলে মোবাইলে কারো সঙ্গে কথা বলে বাসা থেকে বের হন দিগন্ত। পরে আর বাড়ি ফেরেননি। রাতে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। সকালে নরসিংদী-মদনপুর সড়কের পাশে খরমদী এলাকায় ময়লার স্তূপে একটি মরদেহ পড়ে আছে শুনে সেখানে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন তার স্বজনরা। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, খবর পেয়ে প্রাথমিক সুরতহাল শেষে দিগন্তের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার একটি পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে পূর্বশত্রুতার জেরে অন‍্য কোনো স্থা

সড়কের পাশে ময়লার স্তূপে পুলিশের সোর্সের মরদেহ

নরসিংদীর মাধবদীতে সড়কের পাশে থাকা ময়লার স্তূপ থেকে দিগন্ত (২০) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৯ জুন) সকালে নরসিংদী-মদনপুর সড়কের মাধবদীর খরমদী এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত দিগন্ত শেখেরচর এলাকার শফিকুর রহমানের ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে মাধবদীর বিরামপুরে ভাড়া বাসায় থাকতেন। পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করতেন দিগন্ত।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়, রোববার বিকেলে মোবাইলে কারো সঙ্গে কথা বলে বাসা থেকে বের হন দিগন্ত। পরে আর বাড়ি ফেরেননি। রাতে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। সকালে নরসিংদী-মদনপুর সড়কের পাশে খরমদী এলাকায় ময়লার স্তূপে একটি মরদেহ পড়ে আছে শুনে সেখানে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন তার স্বজনরা। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, খবর পেয়ে প্রাথমিক সুরতহাল শেষে দিগন্তের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার একটি পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে পূর্বশত্রুতার জেরে অন‍্য কোনো স্থান থেকে পিটিয়ে হত্যার পর ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে গেছে। পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলছে।

সঞ্জিত সাহা/এফএ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow