হকারদের দখলে মহাসড়ক, ভোগান্তিতে পথচারী-যাত্রীরা

ঢাকা-আরিচা ও নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে লেন দখল করে বসেছে হাট-বাজার। কোথাও কোথাও গড়ে উঠেছে স্থায়ী ভবন। এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন পথচারী ও যাত্রীরা। বছরের পর বছর মহাসড়ক হকারদের দখলে থাকলেও স্থায়ী কোনো পদক্ষেপ নেয় না প্রশাসন। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, সাভার বাজার, হেমায়েতপুর, নবীনগর, পল্লীবিদ্যুৎ, বাইপাইল, বলিভদ্র, শ্রীপুর ও জিরানীসহ মোট আটটি বাসস্ট্যান্ডই হকারদের দখলে। ফুটপাত দখল করে জুতা, ফল, পোশাক, সবজি, মাছ, মোবাইল সামগ্রীসহ হরেকরকম পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসছেন দোকানিরা। এতে মানুষের চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে অফিস সময় ও ইফতারের আগ মুহূর্তে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে। আরিফুর রহমান নামের একজন পথচারী জাগো নিউজকে বলেন, ‌‘ফুটপাত দখল করে দোকান বসায় চলাচল করা খুব কষ্টের। একে অপরের গায়ে উঠে পড়ে। শিশু সন্তান কিংবা বাজারের ব্যাগ নিয়ে চলা যেন দুষ্কর। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে চললেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে।’ এদিকে দোকানিরা ভোগান্তির বিষয়টি স্বীকার করলেও তারা চান বিকল্প পুনর্বাসন। হকার বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘পেটের দায়ে ফুটপাতে বসি। সরকার যদি অন্যত্র সুবিধামতো পু

হকারদের দখলে মহাসড়ক, ভোগান্তিতে পথচারী-যাত্রীরা

ঢাকা-আরিচা ও নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে লেন দখল করে বসেছে হাট-বাজার। কোথাও কোথাও গড়ে উঠেছে স্থায়ী ভবন। এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন পথচারী ও যাত্রীরা। বছরের পর বছর মহাসড়ক হকারদের দখলে থাকলেও স্থায়ী কোনো পদক্ষেপ নেয় না প্রশাসন।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, সাভার বাজার, হেমায়েতপুর, নবীনগর, পল্লীবিদ্যুৎ, বাইপাইল, বলিভদ্র, শ্রীপুর ও জিরানীসহ মোট আটটি বাসস্ট্যান্ডই হকারদের দখলে।

ফুটপাত দখল করে জুতা, ফল, পোশাক, সবজি, মাছ, মোবাইল সামগ্রীসহ হরেকরকম পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসছেন দোকানিরা। এতে মানুষের চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে অফিস সময় ও ইফতারের আগ মুহূর্তে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

হকারদের দখলে মহাসড়ক, ভোগান্তিতে পথচারী-যাত্রীরা

আরিফুর রহমান নামের একজন পথচারী জাগো নিউজকে বলেন, ‌‘ফুটপাত দখল করে দোকান বসায় চলাচল করা খুব কষ্টের। একে অপরের গায়ে উঠে পড়ে। শিশু সন্তান কিংবা বাজারের ব্যাগ নিয়ে চলা যেন দুষ্কর। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে চললেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে।’

এদিকে দোকানিরা ভোগান্তির বিষয়টি স্বীকার করলেও তারা চান বিকল্প পুনর্বাসন। হকার বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘পেটের দায়ে ফুটপাতে বসি। সরকার যদি অন্যত্র সুবিধামতো পুনর্বাসন করে, তাহলে পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকতে পারবো।’

আরেক হকার মোসলেম মিয়া বলেন, ‘শত শত হকার আছে, তাদের কথা চিন্তা করতে হবে। কেউ এমনিতেই সড়ক দখল করে বসে থাকে না।’

হকারদের দখলে মহাসড়ক, ভোগান্তিতে পথচারী-যাত্রীরা

সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ফুটপাতের একজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ফুটপাত দখলকে কেন্দ্র করে প্রতিটি পয়েন্টে একটি করে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্র সক্রিয় রয়েছে। হকারদের কাছ থেকে তারা নিয়মিত চাঁদা আদায় করছেন। বিদ্যুৎ বিল ও প্রশাসনকে ম্যানেজের কথা বলে প্রতিদিন হকারদের কাছ থেকে ১০০-৫০০ টাকা করে চাঁদা নেওয়া হচ্ছে। কেউ চাঁদার টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলেই তার দোকান তুলে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ শাহজাহান বলেন, উচ্ছেদ করলেও হকাররা বারবার দখল করে ফেলে। শিগগির আবারও অভিযান শুরু হবে।

মাহফুজুর রহমান নিপু/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow