হজ যাত্রীর লাগেজ হারানো নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রচণ্ড বৃষ্টি উপেক্ষা করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৩ জুন) সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শাহপুর ও আড়াইবাড়ি গ্রামের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সূত্র জানায়, কসবা পৌরসভার শাহপুর গ্রামের বাসিন্দা মরিয়ম বেগম কসবা হজ কাফেলার মাধ্যমে ওমরা পালনে সৌদি যান। ওমরা শেষে দেশে ফেরার পথে তার একটি লাগেজ হারিয়ে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মরিয়ম বেগমের নাতি নাঈমের সঙ্গে হজ কাফেলার পরিচালক মোয়াল্লেম গিয়াস উদ্দিনের বাকবিতণ্ডা হয়। গত ১১ জুন সন্ধ্যায় বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দুই গ্রামের লোকজন নিজেদের অনুসারীদের জড়ো করলে বিরোধটি বড় আকার ধারণ করে। শনিবার সকাল থেকে শাহপুর ও আড়াইবাড়ি গ্রামের লোকজন দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে দুপুর ১টার দিলে প্রচণ্ড বৃষ্টি শুরু হলেও দুই পক্ষই মারামারি করেন। সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। নিরাপত্তার স্বার্থে স্থানী
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রচণ্ড বৃষ্টি উপেক্ষা করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (১৩ জুন) সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শাহপুর ও আড়াইবাড়ি গ্রামের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, কসবা পৌরসভার শাহপুর গ্রামের বাসিন্দা মরিয়ম বেগম কসবা হজ কাফেলার মাধ্যমে ওমরা পালনে সৌদি যান। ওমরা শেষে দেশে ফেরার পথে তার একটি লাগেজ হারিয়ে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মরিয়ম বেগমের নাতি নাঈমের সঙ্গে হজ কাফেলার পরিচালক মোয়াল্লেম গিয়াস উদ্দিনের বাকবিতণ্ডা হয়।
গত ১১ জুন সন্ধ্যায় বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দুই গ্রামের লোকজন নিজেদের অনুসারীদের জড়ো করলে বিরোধটি বড় আকার ধারণ করে। শনিবার সকাল থেকে শাহপুর ও আড়াইবাড়ি গ্রামের লোকজন দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে দুপুর ১টার দিলে প্রচণ্ড বৃষ্টি শুরু হলেও দুই পক্ষই মারামারি করেন।
সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। নিরাপত্তার স্বার্থে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমিন সুলতানা জানান, সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
আবুল হাসনাত মো. রাফি/এএইচ/এএসএম
What's Your Reaction?