হঠাৎ ঢাকায় নব্বইয়ের হার্টথ্রব মডেল রিয়া
নব্বইয়ের দশকে টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রাখলেই যার উপস্থিতি আলাদা করে নজর কাড়ত, তিনি ফারজানা রিয়া চৌধুরী। একাধারে মডেল, নৃত্যশিল্পী এবং অভিনেত্রী হিসেবে তিনি ছিলেন তুমুল জনপ্রিয়। ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকতেই হঠাৎ শোবিজের আলো-ঝলমলে জগত ছেড়ে পাড়ি জমান সুদূর যুক্তরাষ্ট্রে। দীর্ঘ এক যুগ ধরে সেখানেই স্থায়ী তিনি। তবে ভক্তদের জন্য সুখবর হলো, স্বল্প সময়ের জন্য এখন ঢাকায় অবস্থান করছেন এই তারকা। দীর্ঘদিন পর গত সোমবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর সোবহানবাগের একটি রেস্তোরাঁয় ঘরোয়া আড্ডায় দেখা মিলল রিয়ার। মূলত তার দেশে আসাকে কেন্দ্র করেই এই আড্ডার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও বন্ধুরা— রূপবিশেষজ্ঞ কানিজ আলমাস খান, মডেল সাদিয়া ইসলাম মৌ, বিশ্বরঙ-এর কর্ণধার বিপ্লব সাহা এবং নৃত্যশিল্পী তান্না খান। প্রিয় মুখের উপস্থিতিতে আড্ডাটি যেন এক নস্টালজিক পুনর্মিলনীতে রূপ নেয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরেন রিয়া। তবে বাংলাদেশে আসার আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে সৌদি আরবে গিয়ে পবিত্র ওমরাহ পালন করেন। বর্তমানে স্বামী, সন্তান ও সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকা এই তারকা আগামী ৯ জানুয়
নব্বইয়ের দশকে টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রাখলেই যার উপস্থিতি আলাদা করে নজর কাড়ত, তিনি ফারজানা রিয়া চৌধুরী। একাধারে মডেল, নৃত্যশিল্পী এবং অভিনেত্রী হিসেবে তিনি ছিলেন তুমুল জনপ্রিয়। ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকতেই হঠাৎ শোবিজের আলো-ঝলমলে জগত ছেড়ে পাড়ি জমান সুদূর যুক্তরাষ্ট্রে। দীর্ঘ এক যুগ ধরে সেখানেই স্থায়ী তিনি। তবে ভক্তদের জন্য সুখবর হলো, স্বল্প সময়ের জন্য এখন ঢাকায় অবস্থান করছেন এই তারকা।
দীর্ঘদিন পর গত সোমবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর সোবহানবাগের একটি রেস্তোরাঁয় ঘরোয়া আড্ডায় দেখা মিলল রিয়ার। মূলত তার দেশে আসাকে কেন্দ্র করেই এই আড্ডার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও বন্ধুরা— রূপবিশেষজ্ঞ কানিজ আলমাস খান, মডেল সাদিয়া ইসলাম মৌ, বিশ্বরঙ-এর কর্ণধার বিপ্লব সাহা এবং নৃত্যশিল্পী তান্না খান। প্রিয় মুখের উপস্থিতিতে আড্ডাটি যেন এক নস্টালজিক পুনর্মিলনীতে রূপ নেয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরেন রিয়া। তবে বাংলাদেশে আসার আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে সৌদি আরবে গিয়ে পবিত্র ওমরাহ পালন করেন। বর্তমানে স্বামী, সন্তান ও সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকা এই তারকা আগামী ৯ জানুয়ারি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আবারও যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাবেন।
১৯৯২ সালে কোকোলা বিস্কুটের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মিডিয়াতে যাত্রা শুরু করেছিলেন রিয়া। ছোটবেলা থেকেই নাচের সঙ্গে ছিল তার নিবিড় সখ্য। বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে নৃত্যশিক্ষক হিসেবেও কাজ করেছেন। এছাড়া বাংলাভিশনের রিয়েলিটি শো ‘নাচো, বাংলাদেশ নাচো’-এর বিচারক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
মডেলিংয়ে রিয়া ছিলেন অনন্য। পেইলাক পেইন্টস, হাঁস মার্কা নারিকেল তেল, মেরিল ভেসলিনসহ একাধিক বিজ্ঞাপনে তার উপস্থিতি দর্শকদের মনে দাগ কেটেছে। বিশেষ করে মডেল পল্লবের সঙ্গে ‘কী মিষ্টি মিষ্টি অপলক দৃষ্টি…’ জিঙ্গেলের বিজ্ঞাপনটি আজও নব্বইয়ের দশকের দর্শকদের স্মৃতিতে অমলিন।
অভিনয়েও তিনি ছিলেন সমান পারদর্শী। তার উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘খেলা খেলা সারাবেলা’, ‘মেট্রোপলিটন’, ‘কাগজের নৌকা’ ও ‘নেকি’। এছাড়া বাংলাভিশনের নিয়মিত অনুষ্ঠান ‘সৌন্দর্য কথা’র উপস্থাপনাও করেছেন তিনি।
২০১৩ সালের মার্চে আমেরিকা প্রবাসী সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ইভান চৌধুরীকে বিয়ে করার পর মিডিয়া থেকে নিজেকে পুরোপুরি গুটিয়ে নেন রিয়া। এরপর থেকে প্রবাসেই কাটছে তার নিভৃত জীবন। এক সময়ের পর্দা কাঁপানো এই তারকা আজ আড়ালে থাকলেও ভক্তদের হৃদয়ে তার স্থান আজও অটুট।
What's Your Reaction?