হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিপত্তি দেখা দিয়েছে। এপ্রিল মাসজুড়ে এই প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। যদিও সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি হয়েছে, তবুও পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হয়নি। শনিবার এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, প্রণালীসংলগ্ন প্রধান তেল রপ্তানিকারক দেশ—ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব কোনোটিতেই অপরিশোধিত তেল লোড করা হয়নি। যেখানে সাধারণত প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৩৫টি জাহাজ এই পথে চলাচল করে, সেখানে ৯ এপ্রিল মাত্র ১২টি জাহাজ চলাচল করেছে। এই পরিস্থিতির কারণে প্রতিদিন প্রায় ১৪.২ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও কনডেনসেট পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। একই সময়ে ইরানের তেল রপ্তানি দৈনিক প্রায় ১.৩৮ মিলিয়ন ব্যারেল হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিপত্তি দেখা দিয়েছে।
এপ্রিল মাসজুড়ে এই প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। যদিও সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি হয়েছে, তবুও পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হয়নি।
শনিবার এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, প্রণালীসংলগ্ন প্রধান তেল রপ্তানিকারক দেশ—ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব কোনোটিতেই অপরিশোধিত তেল লোড করা হয়নি। যেখানে সাধারণত প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৩৫টি জাহাজ এই পথে চলাচল করে, সেখানে ৯ এপ্রিল মাত্র ১২টি জাহাজ চলাচল করেছে।
এই পরিস্থিতির কারণে প্রতিদিন প্রায় ১৪.২ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও কনডেনসেট পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। একই সময়ে ইরানের তেল রপ্তানি দৈনিক প্রায় ১.৩৮ মিলিয়ন ব্যারেল হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।
বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর থেকেই কার্যত এই রুট অচল হয়ে পড়ে।
যদিও ইরাকের তেলবাহী জাহাজ চলাচলের জন্য সীমিত ছাড় দেওয়া হয়েছে, তবুও দেশটির জ্বালানি খাতে বড় ধরনের ধস নেমেছে। দেশটির তেল উৎপাদন কমে প্রায় ৩.৫ মিলিয়ন ব্যারেল থেকে ১.৩ মিলিয়নে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে রপ্তানি কমে দাঁড়িয়েছে দৈনিক প্রায় ৮ লাখ ব্যারেলে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।
What's Your Reaction?