হরমুজ প্রণালি আবার বন্ধ করলো ইরান

লেবাননে ইসরায়েলের নতুন হামলার প্রতিবাদে হরমুজ প্রণালি আবার বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ডের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তেহরানের দাবি, লেবাননে ইসরায়েলের এই আগ্রাসন ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের সাম্প্রতিক চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে দেশটির সামরিক বাহিনীর খাতাম-আল আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স জানায়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের নৌযান ও জাহাজ চলাচল আপাতত বন্ধ থাকবে। এই পদক্ষেপটি শত্রুপক্ষের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের বিরুদ্ধে ইরানের প্রথম প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আরও পড়ুন লেবাননসহ সব ফ্রন্টের যুদ্ধ বন্ধ চায় যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প বিবৃতিতে আরও সতর্ক করা হয়েছে যে, যদি এই আগ্রাসন ও চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তবে শত্রুকে তার বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে বাধ্য করতে ইরান পরবর্তী পদক্ষেপের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করবে। হরমুজ প্রণালি বন্ধের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে বিশ্ব রাজনীতি এবং জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের ঝাঁকুনি লাগতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী এই সমুদ্রপথটি বিশ্ব খনিজ তেলের বাণিজ্যের জন্য

হরমুজ প্রণালি আবার বন্ধ করলো ইরান

লেবাননে ইসরায়েলের নতুন হামলার প্রতিবাদে হরমুজ প্রণালি আবার বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ডের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তেহরানের দাবি, লেবাননে ইসরায়েলের এই আগ্রাসন ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের সাম্প্রতিক চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে দেশটির সামরিক বাহিনীর খাতাম-আল আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স জানায়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের নৌযান ও জাহাজ চলাচল আপাতত বন্ধ থাকবে। এই পদক্ষেপটি শত্রুপক্ষের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের বিরুদ্ধে ইরানের প্রথম প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও সতর্ক করা হয়েছে যে, যদি এই আগ্রাসন ও চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তবে শত্রুকে তার বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে বাধ্য করতে ইরান পরবর্তী পদক্ষেপের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করবে।

হরমুজ প্রণালি বন্ধের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে বিশ্ব রাজনীতি এবং জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের ঝাঁকুনি লাগতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী এই সমুদ্রপথটি বিশ্ব খনিজ তেলের বাণিজ্যের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রুট। বিশ্বের মোট ব্যবহৃত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই সংকীর্ণ প্রণালি দিয়েই পরিবাহিত হয়। ফলে এই পথ বন্ধ থাকার অর্থ হলো বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়া এবং জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হওয়া।

সূত্র: আল-জাজিরা
কেএএ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow