হরমুজ বন্ধ করে ইরান চরম সীমা অতিক্রম করেছে: জিসিসি মহাসচিব

হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর সরাসরি হামলার মাধ্যমে ইরান সব ধরনের ‘রেড লাইন’ বা সীমারেখা অতিক্রম করেছে বলে মন্তব্য করেছেন উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) মহাসচিব জাসেম মোহামেদ আল বুদাইওয়ি। তিনি ইরানের এই কর্মকাণ্ডকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন।আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সৌদি আরবের রিয়াদে জিসিসির একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই এসব কথা বলেন জাসেম মোহামেদ আল বুদাইওয়ি।বৈঠকে জিসিসি মহাসচিব বলেন, ‘ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে এবং সেখান দিয়ে চলাচলের ওপর শুল্ক আরোপ করেছে। এটি জিসিসি দেশগুলোর ওপর সরাসরি আগ্রাসন এবং সমুদ্র আইন সংক্রান্ত জাতিসংঘ চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই সংকটে বেশকিছু বাণিজ্যিক জাহাজ অপহরণ ও হামলার শিকার হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।’আল বুদাইওয়ি জিসিসি দেশগুলোর বৈশ্বিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, জিসিসিভুক্ত দেশগুলো বিশ্বের ‘অর্থনৈতিক ফুসফুস’ হিসেবে পরিচিত। তারা প্রতিদিন ১৬ বিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করে, যা বিশ্বের মোট উৎপাদনের ২২ শতাং

হরমুজ বন্ধ করে ইরান চরম সীমা অতিক্রম করেছে: জিসিসি মহাসচিব

হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর সরাসরি হামলার মাধ্যমে ইরান সব ধরনের ‘রেড লাইন’ বা সীমারেখা অতিক্রম করেছে বলে মন্তব্য করেছেন উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) মহাসচিব জাসেম মোহামেদ আল বুদাইওয়ি। তিনি ইরানের এই কর্মকাণ্ডকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন।

আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সৌদি আরবের রিয়াদে জিসিসির একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই এসব কথা বলেন জাসেম মোহামেদ আল বুদাইওয়ি।

বৈঠকে জিসিসি মহাসচিব বলেন, ‘ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে এবং সেখান দিয়ে চলাচলের ওপর শুল্ক আরোপ করেছে। এটি জিসিসি দেশগুলোর ওপর সরাসরি আগ্রাসন এবং সমুদ্র আইন সংক্রান্ত জাতিসংঘ চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই সংকটে বেশকিছু বাণিজ্যিক জাহাজ অপহরণ ও হামলার শিকার হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।’

আল বুদাইওয়ি জিসিসি দেশগুলোর বৈশ্বিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, জিসিসিভুক্ত দেশগুলো বিশ্বের ‘অর্থনৈতিক ফুসফুস’ হিসেবে পরিচিত। তারা প্রতিদিন ১৬ বিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করে, যা বিশ্বের মোট উৎপাদনের ২২ শতাংশ। এ ছাড়া এই দেশগুলো বিশ্ববাজারে ২৭ শতাংশ তেল রপ্তানি করে, যার পরিমাণ দৈনিক প্রায় ১১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ব্যারেল। ইরানের এই উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড বিশ্ব অর্থনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ ব্যবস্থাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

জিসিসি মনে করে, ইরানের এই হামলাগুলো শুধুমাত্র আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি নয়; বরং এটি জিসিসি ও ইরানের মধ্যকার সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি বড় ধরনের ‘টার্নিং পয়েন্ট’ বা বাঁক বদল। আল বুদাইওয়ি অভিযোগ করে বলেন, ‘ইরান উদ্দেশ্যমূলকভাবে জিসিসি দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে এবং সরাসরি বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় আমাদের সাধারণ নাগরিক ও বাসিন্দারা প্রাণ হারাচ্ছেন।’

সুত্র: আল জাজিরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow