হাজারীবাগে বাসায় ঝুলছিল বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণীর মরদেহ

রাজধানীর হাজারীবাগের একটি বাসা থেকে আনিশা ফেরদৌসী (২২) নামের এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি রাজধানীর এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (এইউবি) কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হাজারীবাগের টালি অফিস রোডের একটি বাসার পাঁচতলার কক্ষ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের বাবা জলিল রহমান জানান, আনিশা এইউবির কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের পঞ্চম সেমিস্টারে পড়তেন। এরই মধ্যে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে নিজের পছন্দে সেলিম নামের একজনকে বিয়ে করেন তিনি। বিষয়টি জানাজানি হলে এ নিয়ে পারিবারিক কলহ চলছিল। এর জেরেই শনিবার বিকেলে কাউকে কিছু না বলে নিজ রুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন আনিশা। বেশ কিছু সময় পেরিয়ে গেলেও তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন স্বজনেরা। এ সময় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে আনিশাকে ঝুলতে দেখেন তারা। পরে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। জলিল রহমান আরও জানান, তাদের বাড়ি কুষ্ট

হাজারীবাগে বাসায় ঝুলছিল বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণীর মরদেহ

রাজধানীর হাজারীবাগের একটি বাসা থেকে আনিশা ফেরদৌসী (২২) নামের এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি রাজধানীর এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (এইউবি) কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হাজারীবাগের টালি অফিস রোডের একটি বাসার পাঁচতলার কক্ষ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বাবা জলিল রহমান জানান, আনিশা এইউবির কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের পঞ্চম সেমিস্টারে পড়তেন। এরই মধ্যে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে নিজের পছন্দে সেলিম নামের একজনকে বিয়ে করেন তিনি। বিষয়টি জানাজানি হলে এ নিয়ে পারিবারিক কলহ চলছিল। এর জেরেই শনিবার বিকেলে কাউকে কিছু না বলে নিজ রুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন আনিশা। বেশ কিছু সময় পেরিয়ে গেলেও তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন স্বজনেরা। এ সময় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে আনিশাকে ঝুলতে দেখেন তারা। পরে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

জলিল রহমান আরও জানান, তাদের বাড়ি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানার বাগোয়ান গ্রামে। বর্তমানে হাজারীবাগের টালি অফিস রোডের একটি ভবনের পাঁচতলায় থাকেন তারা।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

কাজী আল আমিন/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow