হাজিরা কখন ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ পড়বেন?
‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’—এই বাক্যটি তালবিয়ার অংশ। এটি হজ ও ওমরাহর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। তালবিয়া মূলত হজ ও ওমরাহে প্রবেশের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এবং মহান আল্লাহর একত্ববাদ বা তাওহিদ চর্চার একটি দৃশ্যমান ইবাদত। তালবিয়াকে হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের ‘স্লোগান’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। পুরুষ উচ্চস্বরে ও নারী নিচু স্বরে তালবিয়া পড়বেন। কিন্তু এই তালবিয়া হজ ও ওমরাহ পালনকারীরা কখন পড়বেন? ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ কখন পড়তে হয় হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের জন্য তালবিয়া পাঠের নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে। তাহলো— হজ পালনকারী— ইহরাম বাঁধার সময় থেকে শুরু করে জিলহজ মাসের ১০ তারিখ ‘জামরাতুল আকাবায়’ (বড় শয়তানকে) প্রথম কঙ্কর নিক্ষেপের আগমুহূর্ত পর্যন্ত সার্বক্ষণিকভাবে তালবিয়া পাঠ করবেন। কঙ্কর নিক্ষেপ শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে তালবিয়া পাঠ বন্ধ করে দিতে হয়। ওমরাহ পালনকারী— ইহরাম বাঁধার পর থেকে তালবিয়া পাঠ শুরু করবেন এবং বায়তুল্লাহ তাওয়াফ শুরু করার আগপর্যন্ত তা অব্যাহত রাখবেন। তাওয়াফ শুরু করার মুহূর্তে তালবিয়া পাঠ বন্ধ করবেন। তালবিয়া— এই তালবিয়া পুরোটা পাঠ করা জরুরি। এর কোনো অংশ ছেড়ে দেওয়া মাকরুহ। আরবি, উচ্চারণ ও অর্থসহ
‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’—এই বাক্যটি তালবিয়ার অংশ। এটি হজ ও ওমরাহর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। তালবিয়া মূলত হজ ও ওমরাহে প্রবেশের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এবং মহান আল্লাহর একত্ববাদ বা তাওহিদ চর্চার একটি দৃশ্যমান ইবাদত। তালবিয়াকে হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের ‘স্লোগান’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। পুরুষ উচ্চস্বরে ও নারী নিচু স্বরে তালবিয়া পড়বেন। কিন্তু এই তালবিয়া হজ ও ওমরাহ পালনকারীরা কখন পড়বেন?
‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ কখন পড়তে হয়
হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের জন্য তালবিয়া পাঠের নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে। তাহলো—
হজ পালনকারী—
ইহরাম বাঁধার সময় থেকে শুরু করে জিলহজ মাসের ১০ তারিখ ‘জামরাতুল আকাবায়’ (বড় শয়তানকে) প্রথম কঙ্কর নিক্ষেপের আগমুহূর্ত পর্যন্ত সার্বক্ষণিকভাবে তালবিয়া পাঠ করবেন। কঙ্কর নিক্ষেপ শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে তালবিয়া পাঠ বন্ধ করে দিতে হয়।
ওমরাহ পালনকারী—
ইহরাম বাঁধার পর থেকে তালবিয়া পাঠ শুরু করবেন এবং বায়তুল্লাহ তাওয়াফ শুরু করার আগপর্যন্ত তা অব্যাহত রাখবেন। তাওয়াফ শুরু করার মুহূর্তে তালবিয়া পাঠ বন্ধ করবেন।
তালবিয়া—
এই তালবিয়া পুরোটা পাঠ করা জরুরি। এর কোনো অংশ ছেড়ে দেওয়া মাকরুহ। আরবি, উচ্চারণ ও অর্থসহ পুরো তালবিয়া হলো—
لَبَّيْكَ اَللَّهُمَّ لَبَّيْكَ، لَبَّيْكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ لَبَّيْكَ، إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ، لَا شَرِيْكَ لَكَ
উচ্চারণ: লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান নি’মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক।
অর্থ: আমি উপস্থিত হে আল্লাহ, আমি উপস্থিত। আপনার ডাকে সাড়া দিতে আমি হাজির। আপনার কোনো অংশীদার নেই, আমি উপস্থিত। নিঃসন্দেহে সমস্ত প্রশংসা ও নিয়ামত আপনারই এবং একচ্ছত্র আধিপত্যও আপনার। আপনার কোনো অংশীদার নেই। (বুখারি: ১৫৪৯)
তালবিয়া পাঠের গুরুত্ব ও ফজিলত
হাদিসে তালবিয়াকে হজের বিশেষ স্লোগান এবং হজের দিনের প্রধান শোভা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন—
‘যখন কোনো মুসলিম তালবিয়া পাঠ করে, তখন তার ডানে ও বামে থাকা পাথর, বৃক্ষরাজি ও মাটি—সবই তার সঙ্গে তালবিয়া পাঠ করতে থাকে। এমনকি এই পাঠের প্রতিধ্বনি পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত পৌঁছে যায়।’ (তিরমিজি ৮২৮)
What's Your Reaction?