হাট কাঁপাবে ২৪ মণ ওজনের ‘মিস্টার বিন’

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বগুড়ার পশুর হাটে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে বিশাল আকৃতির গরু ‘মিস্টার বিন’। প্রায় ২৪ মণ ওজনের হলিস্টিয়ান ফ্রিজিয়ান জাতের এই গরুটিকে ঘিরে ইতোমধ্যেই স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। খামারির দাবি, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবারে লালন-পালন করা গরুটির দাম হাঁকা হচ্ছে ৮ লাখ টাকা। বগুড়ার কাহালু উপজেলার পাইকড় ভুগোইল গ্রামের খামারি রুবেল গত আড়াই বছর ধরে গরুটি লালন-পালন করছেন। পরিবারের নিজস্ব গাভি থেকেই জন্ম হয়েছিল ‘মিস্টার বিন’-এর। ছোটোবেলা থেকেই গরুটির গঠন ও স্বভাব অন্যদের নজর কাড়ে। শান্ত স্বভাবের হলেও বাইরে বের হলে বেশ তেজি হয়ে ওঠে বলেই শখ করে তার নাম রাখা হয়েছে ‘মিস্টার বিন’। খামারি রুবেল জানান, কোনো ধরনের মোটাতাজাকরণ ওষুধ ব্যবহার না করে দেশীয় খাবারেই গরুটিকে বড় করেছেন তিনি। প্রতিদিন নিয়ম করে খুদ, ভুসি, খৈল, ঘাস ও খড় খাওয়ানো হয়। পাশাপাশি দিনে দুইবার গোসলও করাতে হয়। গরম একদম সহ্য করতে পারে না গরুটি। তিনি বলেন, ‘দুই-তিন দিন আগে ওয়েট মেশিনে তোলা হয়েছিল। তখন ওজন ৯০০ কেজির বেশি এসেছে। অনেক শখ করে বড় করেছি। এবার ঈদে বিক্রি করতে চাই। কেউ পছন্দ করলে কিছুট

হাট কাঁপাবে ২৪ মণ ওজনের ‘মিস্টার বিন’
আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বগুড়ার পশুর হাটে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে বিশাল আকৃতির গরু ‘মিস্টার বিন’। প্রায় ২৪ মণ ওজনের হলিস্টিয়ান ফ্রিজিয়ান জাতের এই গরুটিকে ঘিরে ইতোমধ্যেই স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। খামারির দাবি, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবারে লালন-পালন করা গরুটির দাম হাঁকা হচ্ছে ৮ লাখ টাকা। বগুড়ার কাহালু উপজেলার পাইকড় ভুগোইল গ্রামের খামারি রুবেল গত আড়াই বছর ধরে গরুটি লালন-পালন করছেন। পরিবারের নিজস্ব গাভি থেকেই জন্ম হয়েছিল ‘মিস্টার বিন’-এর। ছোটোবেলা থেকেই গরুটির গঠন ও স্বভাব অন্যদের নজর কাড়ে। শান্ত স্বভাবের হলেও বাইরে বের হলে বেশ তেজি হয়ে ওঠে বলেই শখ করে তার নাম রাখা হয়েছে ‘মিস্টার বিন’। খামারি রুবেল জানান, কোনো ধরনের মোটাতাজাকরণ ওষুধ ব্যবহার না করে দেশীয় খাবারেই গরুটিকে বড় করেছেন তিনি। প্রতিদিন নিয়ম করে খুদ, ভুসি, খৈল, ঘাস ও খড় খাওয়ানো হয়। পাশাপাশি দিনে দুইবার গোসলও করাতে হয়। গরম একদম সহ্য করতে পারে না গরুটি। তিনি বলেন, ‘দুই-তিন দিন আগে ওয়েট মেশিনে তোলা হয়েছিল। তখন ওজন ৯০০ কেজির বেশি এসেছে। অনেক শখ করে বড় করেছি। এবার ঈদে বিক্রি করতে চাই। কেউ পছন্দ করলে কিছুটা কম দামেও ছেড়ে দেব।’ রুবেলের স্বজন আবু কালাম জানান, গরুটি বিক্রি করতে পারলে সেই টাকা দিয়ে খামার আরও বড় করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। এদিকে ‘মিস্টার বিন’-কে এক নজর দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ। স্থানীয় কৃষক আজিবর রহমান বলেন,‘রুবেল নিজের সন্তানের মতো করে গরুটিকে লালন-পালন করেছেন। আশপাশের এলাকায় এত বড় গরু আর দেখা যায় না।’ বগুড়ার কাহালু উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবদুল মালেক বলেন, ‘মিস্টার বিন’ এই এলাকার অন্যতম বড় গরু। সম্পূর্ণ দেশীয় ও প্রাকৃতিক খাবারে গরুটি লালন-পালন করা হয়েছে। আমরা নিয়মিত খামারিকে পরামর্শ দিয়েছি। আশা করছি, কোরবানির বাজারে তিনি ন্যায্য দাম পাবেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow