হাদি হত্যার বিচার দাবিতে বরিশালে ছাত্র-জনতার ‘আজাদি মার্চ’

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে বরিশালে ‘আজাদি মার্চ’ কর্মসূচি পালন করেছেন ছাত্র-জনতা। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে থেকে ব্যাটারিচালিত ভ্যানগাড়ি করে এ আজাদি মার্চ কর্মসূচি পালন করেন তারা। এ সময় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই শহীদ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচার সম্পন্ন করার দাবি জানান তারা। অন্যথায় আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। এর আগে বেলা ১২টার দিকে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্কুল শিক্ষার্থীরা ব্যানার, প্লাকার্ড নিয়ে সদর রোডে অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে জড়ো হয়। পরে সেখানে কিছুসময় বিক্ষোভ করেন তারা। এ সময় হাদি হত্যার বিচার দাবি নিয়ে সাধারণ মানুষও বিক্ষোভে অংশ নেয়। পরে ব্যাটারিচালিত ভ্যানগাড়ি, মোটরসাইকেল এবং পিকআপযোগে আজাদি মার্চ কর্মসূচি শুরু করে ছাত্র-জনতা। অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে থেকে বের হওয়া আজাদি মার্চ শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় টাউন হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এর আগে বিক্ষোভ সমাবেশে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জানান, আমার ভাই মৃত্যু আগে বলে গেছেন, ‘আমার খুনির

হাদি হত্যার বিচার দাবিতে বরিশালে ছাত্র-জনতার ‘আজাদি মার্চ’
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে বরিশালে ‘আজাদি মার্চ’ কর্মসূচি পালন করেছেন ছাত্র-জনতা। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে থেকে ব্যাটারিচালিত ভ্যানগাড়ি করে এ আজাদি মার্চ কর্মসূচি পালন করেন তারা। এ সময় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই শহীদ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচার সম্পন্ন করার দাবি জানান তারা। অন্যথায় আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। এর আগে বেলা ১২টার দিকে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্কুল শিক্ষার্থীরা ব্যানার, প্লাকার্ড নিয়ে সদর রোডে অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে জড়ো হয়। পরে সেখানে কিছুসময় বিক্ষোভ করেন তারা। এ সময় হাদি হত্যার বিচার দাবি নিয়ে সাধারণ মানুষও বিক্ষোভে অংশ নেয়। পরে ব্যাটারিচালিত ভ্যানগাড়ি, মোটরসাইকেল এবং পিকআপযোগে আজাদি মার্চ কর্মসূচি শুরু করে ছাত্র-জনতা। অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে থেকে বের হওয়া আজাদি মার্চ শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় টাউন হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এর আগে বিক্ষোভ সমাবেশে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জানান, আমার ভাই মৃত্যু আগে বলে গেছেন, ‘আমার খুনির বিচারটা একটা আপনারা কইরেন’।  তারা বলেন, হত্যা করে খুনি বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গেছে। ভাবতে নিজেদের কাছেই কষ্ট লাগে, নিজেদের ঘৃণিত মনে হয়। একটা স্বাধীন দেশে কীভাবে খুনি খুন করে পালিয়ে যায়?। খুনিকে এখন পর্যন্ত ধরার নাম নেই সরকারের। শিক্ষার্থীরা আরও জানান, আমরা চাই, শরিফ ওসমান হাদিকে যারা খুন করে পালিয়ে গেছে, তাদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসা। যতদিন পর্যন্ত আমাদের ভাইয়ের বিচার না পাব, ততদিন পর্যন্ত রাজপথে আমাদের এ আন্দোলন চালিয়ে যাব।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow