হামের উপসর্গে বরগুনায় ৩ শিশুর প্রাণহানি

বরগুনা জেলায় ডেংগু মৃত্যুর রেশ কাটতেনা কাটতে শুরু হয়েছে হাম আতঙ্ক। হামের সন্দেহজনক উপসর্গ নিয়ে শিশুর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। সর্বশেষ গত ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যায় ৩শিশু। এর ভীতরে বরগুনা সদর উপজেলার ২জন ও পাথরঘাটার ১জন শিশু। বরগুনা ২৫০ সয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: রেজওয়ানুর আলম জানান শনিবার (৪এপ্রিল ২০২৬) বেলা ১২টা পর্যন্ত সন্দেহ জনক উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ১০জন,হাসপাতালে ভর্তি ১৪৯ জনের মধ্যে ২৪ জনের শরীরে হাম ও ১জনের শরীরে রুবেলা শনাক্ত হয়েছে এবং ৭৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। জেলা সদরসহ আমতলী, পাথরঘাটা ও বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২টি করে এবং বেতাগীতে ১টি করে আলাদা শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলায় বর্তমানে ৩০টির বেশি শয্যা প্রস্তুত থাকলেও রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. মেহেদী পারভেজ জানান, গত মাসের মাঝামাঝি থেকে জেলায় হামের এই প্রকোপ দেখা দিয়েছে এবং প্রতিদিন বহির্বিভাগে গড়ে ২০ জন রোগী হামের সন্দেহ জনক উপসর্গ নিয়ে আসছেন। গুরুতর রোগীদের ভর্তি রেখে চি

হামের উপসর্গে বরগুনায় ৩ শিশুর প্রাণহানি

বরগুনা জেলায় ডেংগু মৃত্যুর রেশ কাটতেনা কাটতে শুরু হয়েছে হাম আতঙ্ক। হামের সন্দেহজনক উপসর্গ নিয়ে শিশুর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। সর্বশেষ গত ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যায় ৩শিশু। এর ভীতরে বরগুনা সদর উপজেলার ২জন ও পাথরঘাটার ১জন শিশু।

বরগুনা ২৫০ সয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: রেজওয়ানুর আলম জানান শনিবার (৪এপ্রিল ২০২৬) বেলা ১২টা পর্যন্ত সন্দেহ জনক উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ১০জন,হাসপাতালে ভর্তি ১৪৯ জনের মধ্যে ২৪ জনের শরীরে হাম ও ১জনের শরীরে রুবেলা শনাক্ত হয়েছে এবং ৭৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। জেলা সদরসহ আমতলী, পাথরঘাটা ও বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২টি করে এবং বেতাগীতে ১টি করে আলাদা শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলায় বর্তমানে ৩০টির বেশি শয্যা প্রস্তুত থাকলেও রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. মেহেদী পারভেজ জানান, গত মাসের মাঝামাঝি থেকে জেলায় হামের এই প্রকোপ দেখা দিয়েছে এবং প্রতিদিন বহির্বিভাগে গড়ে ২০ জন রোগী হামের সন্দেহ জনক উপসর্গ নিয়ে আসছেন। গুরুতর রোগীদের ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং জটিলতা দেখা দিলে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র পাঠানো হচ্ছে।

জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, শিশুর উচ্চ জ্বর, সর্দি বা কাশি হলে অবহেলা না করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসতে হবে। সঠিক চিকিৎসা ও আইসোলেশন নিশ্চিত করা গেলে এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow