হাম-বসন্ত থেকে মুক্তির আশায় ছয় দশক ধরে বিশেষ পূজা
সংক্রামক রোগ-বালাই থেকে মুক্তির আশায় ফরিদপুরের সদরপুরের মালোপাড়া গ্রামের মানুষ প্রায় ছয় দশক ধরে পালন করে আসছেন ঐতিহ্যবাহী ‘শীতলা পূজা’। ধর্মীয় বিশ্বাস আর লোকজ ঐতিহ্যের মিশেলে আয়োজিত এই পূজা এখন গ্রামের মানুষের ঐক্য ও সম্প্রীতির প্রতীকে পরিণত হয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মালোপাড়া গ্রামে সাড়ম্বরে এই পূজা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি বছরের মতো এবারও গ্রামজুড়ে বিরাজ করে উৎসবমুখর পরিবেশ। স্থানীয়দের বিশ্বাস, শীতলা দেবীর আরাধনা করলে হাম, বসন্তসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ থেকে গ্রামবাসী সুরক্ষিত থাকে। পূর্ব-পুরুষদের রেখে যাওয়া এই বিশ্বাসকে আঁকড়ে ধরেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গ্রামবাসী এই উৎসব পালন করে আসছেন। প্রবীণ বাসিন্দারা জানান, প্রায় ৬০ বছর আগে যখন এলাকায় বসন্ত রোগের ব্যাপক প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল, তখন থেকেই রোগমুক্তি ও সুরক্ষার কামনায় এই পূজার সূচনা হয়। পূজাকে কেন্দ্র করে পুরো গ্রাম যেন এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। ঢাক-ঢোলের তালে মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশ। উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে গ্রামবাসীরা কাদা-মাটিতে মেতে ওঠেন। একে অপরকে কাদা মাখিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করার এই রীতিট
সংক্রামক রোগ-বালাই থেকে মুক্তির আশায় ফরিদপুরের সদরপুরের মালোপাড়া গ্রামের মানুষ প্রায় ছয় দশক ধরে পালন করে আসছেন ঐতিহ্যবাহী ‘শীতলা পূজা’। ধর্মীয় বিশ্বাস আর লোকজ ঐতিহ্যের মিশেলে আয়োজিত এই পূজা এখন গ্রামের মানুষের ঐক্য ও সম্প্রীতির প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মালোপাড়া গ্রামে সাড়ম্বরে এই পূজা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি বছরের মতো এবারও গ্রামজুড়ে বিরাজ করে উৎসবমুখর পরিবেশ।
স্থানীয়দের বিশ্বাস, শীতলা দেবীর আরাধনা করলে হাম, বসন্তসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ থেকে গ্রামবাসী সুরক্ষিত থাকে। পূর্ব-পুরুষদের রেখে যাওয়া এই বিশ্বাসকে আঁকড়ে ধরেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গ্রামবাসী এই উৎসব পালন করে আসছেন।
প্রবীণ বাসিন্দারা জানান, প্রায় ৬০ বছর আগে যখন এলাকায় বসন্ত রোগের ব্যাপক প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল, তখন থেকেই রোগমুক্তি ও সুরক্ষার কামনায় এই পূজার সূচনা হয়।
পূজাকে কেন্দ্র করে পুরো গ্রাম যেন এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। ঢাক-ঢোলের তালে মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশ। উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে গ্রামবাসীরা কাদা-মাটিতে মেতে ওঠেন। একে অপরকে কাদা মাখিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করার এই রীতিটিও তাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যের অংশ।
গ্রামের সাধারণ মানুষের মতে, আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অনেক উন্নতি হলেও এই পূজা তাদের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই আয়োজনটি কেবল ধর্মীয় আচার নয়, বরং এটি গ্রামবাসীর পারস্পরিক মেলবন্ধন ও সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত। প্রতি বছরই যথাযথ মর্যাদায় ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে এই ঐতিহ্য ধরে রাখছেন কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মালোপাড়া গ্রামবাসী।
What's Your Reaction?