হারপিক ঢেলে ‘আর্জেন্টিনার জার্সি’ বানাল নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্রাজিল সমর্থকরা

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শোডাউন দিয়েছে ব্রাজিল সমর্থকরা। এ সময় তারা সাদা টি-শার্টের ওপর নীল রঙের ‘হারপিক’ ঢেলে আর্জেন্টিনার জার্সির আদল তৈরি করে। রোববার (২১ জুন) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রায় ৭৫০ স্কয়ার ফুটের একটি বিশাল ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোডাউন করেন সেলেসাও সমর্থকরা। মিছিলটি অগ্নিবীণা হল থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে টিএসসির সামনে গিয়ে শেষ হয়। তবে মিছিলের আনুষ্ঠানিকতা শেষে শুরু হয় ভিন্ন ধরনের এক খুনসুটি। টিএসসির সামনে নীল রঙের হারপিকের বোতল হাতে হাজির হন এক ব্রাজিল সমর্থক। উপস্থিত সবার সামনে তিনি রসিকতা করে বলেন, ‘আর্জেন্টিনার জার্সি বানানোর জন্য টাকা খরচ করার প্রয়োজন নেই, শুধু এক বোতল হারপিক থাকলেই যথেষ্ট।’ এরপর একটি সাদা টিশার্ট মাটিতে বিছিয়ে তার ওপর নীল রঙের হারপিক ঢেলে আর্জেন্টিনার জার্সির পরিচিত সাদা-আকাশি নকশার মতো অবয়ব তৈরি করা হয়। পরে সেটি ক্যাম্পাসের একটি দেয়ালে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় ওই সমর্থক আরও বলেন, ‘হারপিক দিয়েই যেহেতু এই দলের জার্সি তৈরি করা যায়, তাই কষ্ট করে কিনে টাকা নষ্ট করার কী দরকার? আর্জেন্টিনা সমর্থকরা চাইলে আমাদের ক

হারপিক ঢেলে ‘আর্জেন্টিনার জার্সি’ বানাল নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্রাজিল সমর্থকরা
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শোডাউন দিয়েছে ব্রাজিল সমর্থকরা। এ সময় তারা সাদা টি-শার্টের ওপর নীল রঙের ‘হারপিক’ ঢেলে আর্জেন্টিনার জার্সির আদল তৈরি করে। রোববার (২১ জুন) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রায় ৭৫০ স্কয়ার ফুটের একটি বিশাল ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোডাউন করেন সেলেসাও সমর্থকরা। মিছিলটি অগ্নিবীণা হল থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে টিএসসির সামনে গিয়ে শেষ হয়। তবে মিছিলের আনুষ্ঠানিকতা শেষে শুরু হয় ভিন্ন ধরনের এক খুনসুটি। টিএসসির সামনে নীল রঙের হারপিকের বোতল হাতে হাজির হন এক ব্রাজিল সমর্থক। উপস্থিত সবার সামনে তিনি রসিকতা করে বলেন, ‘আর্জেন্টিনার জার্সি বানানোর জন্য টাকা খরচ করার প্রয়োজন নেই, শুধু এক বোতল হারপিক থাকলেই যথেষ্ট।’ এরপর একটি সাদা টিশার্ট মাটিতে বিছিয়ে তার ওপর নীল রঙের হারপিক ঢেলে আর্জেন্টিনার জার্সির পরিচিত সাদা-আকাশি নকশার মতো অবয়ব তৈরি করা হয়। পরে সেটি ক্যাম্পাসের একটি দেয়ালে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় ওই সমর্থক আরও বলেন, ‘হারপিক দিয়েই যেহেতু এই দলের জার্সি তৈরি করা যায়, তাই কষ্ট করে কিনে টাকা নষ্ট করার কী দরকার? আর্জেন্টিনা সমর্থকরা চাইলে আমাদের কাছে আসতে পারেন, আমরা বিনামূল্যেই জার্সি বানিয়ে দেব।’ ঘটনার ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। কেউ এটিকে ফুটবলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতার মজার প্রকাশ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ট্রলের মাত্রা নিয়ে ভিন্নমতও প্রকাশ করেছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow