হারের পর ব্রাজিলের পতাকা খুলে নিচ্ছেন আর্জেন্টিনার সমর্থকরা
নরওয়ের সঙ্গে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে ব্রাজিলের পরাজয়ের দেশটির পতাকা খুলে নিচ্ছেন আর্জেন্টিনার সমর্থকরা। এমনই ঘটনা ঘটেছে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায়। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এমন আচরণকে ক্রীড়াসুলভ মনোভাবের পরিপন্থি বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয়রা। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার গোলাবাড়ি বেইলি ব্রিজের দুই পাশে টানানো পতাকাগুলো খুলে নেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্র জানায়, বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে উৎসবের আমেজে গোলাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা ও ব্রাজিল সমর্থক তুহিন নিজ উদ্যোগে বেইলি ব্রিজের দুই পাশে অর্ধশতাধিক ব্রাজিলের পতাকা টানিয়েছিলেন। খেলা চলাকালে ব্রিজের দুই পাশজুড়ে উড়তে থাকা পতাকাগুলো পথচারীদের নজর কাড়ে এবং ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ভিন্নমাত্রার উৎসবের আবহ তৈরি করে। তবে ব্রাজিল টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পরদিন দুপুরে এক আর্জেন্টিনা সমর্থক এসে একে একে সবগুলো পতাকা খুলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনাকে ক্রীড়াসুলভ আচরণের পরিপন্থী হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। এমনকি অনেক আর্জেন্টিনা সমর্থকও বিষয়টিকে সমর্থন করেননি। স্থানীয় আর্জেন্টিনা সমর্থক রাসেল বলেন, খেলার মাঠে হার-জিত থাকবেই, এটাই স
নরওয়ের সঙ্গে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে ব্রাজিলের পরাজয়ের দেশটির পতাকা খুলে নিচ্ছেন আর্জেন্টিনার সমর্থকরা। এমনই ঘটনা ঘটেছে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায়। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এমন আচরণকে ক্রীড়াসুলভ মনোভাবের পরিপন্থি বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয়রা।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার গোলাবাড়ি বেইলি ব্রিজের দুই পাশে টানানো পতাকাগুলো খুলে নেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে উৎসবের আমেজে গোলাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা ও ব্রাজিল সমর্থক তুহিন নিজ উদ্যোগে বেইলি ব্রিজের দুই পাশে অর্ধশতাধিক ব্রাজিলের পতাকা টানিয়েছিলেন। খেলা চলাকালে ব্রিজের দুই পাশজুড়ে উড়তে থাকা পতাকাগুলো পথচারীদের নজর কাড়ে এবং ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ভিন্নমাত্রার উৎসবের আবহ তৈরি করে।
তবে ব্রাজিল টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পরদিন দুপুরে এক আর্জেন্টিনা সমর্থক এসে একে একে সবগুলো পতাকা খুলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনাকে ক্রীড়াসুলভ আচরণের পরিপন্থী হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। এমনকি অনেক আর্জেন্টিনা সমর্থকও বিষয়টিকে সমর্থন করেননি।
স্থানীয় আর্জেন্টিনা সমর্থক রাসেল বলেন, খেলার মাঠে হার-জিত থাকবেই, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু প্রতিপক্ষ দল হেরে গেছে বলে তাদের পতাকা খুলে ফেলা কোনো সুস্থ ক্রীড়ামোদীর কাজ হতে পারে না। এ ধরনের খামখেয়ালি আচরণে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও, যার উদ্যোগে পতাকাগুলো টানানো হয়েছিল সেই ব্রাজিল সমর্থক তুহিনের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের দাবি, ফুটবল নিয়ে উন্মাদনা থাকলেও তা যেন কখনোই প্রতিপক্ষকে হেয় করা বা উসকানিমূলক আচরণে রূপ না নেয়। খেলাকে ঘিরে সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখাই একজন প্রকৃত ক্রীড়াপ্রেমীর পরিচয়।
What's Your Reaction?