হাসনাত আবদুল্লাহর আছে কত টাকার সম্পদ, জানা গেল বিস্তারিত

কুমিল্লা-৪ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর বার্ষিক আয় সাড়ে ১২ লাখ টাকা। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৫০ লাখ টাকা। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। হলফনামায় তিনি নিজের পেশা হিসেবে ব্যবসার কথা উল্লেখ করেছেন। হলফনামা অনুযায়ী, হাসনাত আবদুল্লাহর জন্ম ১৯৯৮ সালে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার গোপালনগর গ্রামে। ব্যবসা থেকে তার বার্ষিক আয় ১২ লাখ ৫৩ হাজার ৫৩৯ টাকা। শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র বা অন্য কোনো খাত থেকে তার কোনো আয় নেই বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে তিনি আয়কর হিসেবে পরিশোধ করেছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৫৩১ টাকা। আয়কর রিটার্নে তার ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ ৩১ লাখ ৬৭ হাজার ৬১৯ টাকা। ব্যাংক বা কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে তার কোনো ঋণ নেই বলেও হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। পেশায় গৃহিণী তার স্ত্রীর নামেও কোনো সম্পদ নেই। সম্পদ বিবরণীতে তিনি জানান, তার কাছে নগদ অর্থ রয়েছে সাড়ে ১৩ লাখ টাকা। ব্যাংকের দুটি হিসাবে জমা আছে ৩ লাখ ৩ হাজার টাকা। এ ছাড়া তার মালিকানায় রয়েছে ২৬ লাখ

হাসনাত আবদুল্লাহর আছে কত টাকার সম্পদ, জানা গেল বিস্তারিত

কুমিল্লা-৪ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর বার্ষিক আয় সাড়ে ১২ লাখ টাকা। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৫০ লাখ টাকা।

নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। হলফনামায় তিনি নিজের পেশা হিসেবে ব্যবসার কথা উল্লেখ করেছেন।

হলফনামা অনুযায়ী, হাসনাত আবদুল্লাহর জন্ম ১৯৯৮ সালে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার গোপালনগর গ্রামে। ব্যবসা থেকে তার বার্ষিক আয় ১২ লাখ ৫৩ হাজার ৫৩৯ টাকা। শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র বা অন্য কোনো খাত থেকে তার কোনো আয় নেই বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

২০২৫–২৬ অর্থবছরে তিনি আয়কর হিসেবে পরিশোধ করেছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৫৩১ টাকা। আয়কর রিটার্নে তার ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ ৩১ লাখ ৬৭ হাজার ৬১৯ টাকা। ব্যাংক বা কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে তার কোনো ঋণ নেই বলেও হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। পেশায় গৃহিণী তার স্ত্রীর নামেও কোনো সম্পদ নেই।

সম্পদ বিবরণীতে তিনি জানান, তার কাছে নগদ অর্থ রয়েছে সাড়ে ১৩ লাখ টাকা। ব্যাংকের দুটি হিসাবে জমা আছে ৩ লাখ ৩ হাজার টাকা। এ ছাড়া তার মালিকানায় রয়েছে ২৬ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার। বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্যের মূল্য ৬৫ হাজার টাকা এবং আসবাবপত্রের মূল্য এক লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

হলফনামা অনুযায়ী, তার নামে কোনো কৃষিজমি, অকৃষিজমি, বাড়ি বা অন্য কোনো ধরনের স্থাবর সম্পদ নেই। সব মিলিয়ে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ যোগ করে বর্তমানে তিনি মোট ৫০ লাখ টাকার সম্পদের মালিক।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow