হাসপাতালের অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদ করায় নারী এমপি প্রার্থীকে লাঞ্ছনা

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রতিবাদ করায় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী সংসদ সদস্য প্রার্থী ফাতেমা রহমান বিথীকে অবরুদ্ধ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে। বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। বিথি জেলা ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি। জানা যায়, বুধবার দুপুরের দিকে ফাতেমা রহমান বিথী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে বিভিন্ন ওয়ার্ডে রোগীদের ভোগান্তি, দীর্ঘ অপেক্ষা, শয্যা সংকট ও সেবায় অব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের একটি অংশ তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। ফাতেমা রহমান বিথী অভিযোগ করে বলেন, আমি রোগীদের দুর্ভোগ নিয়ে কথা বলতে গেলে হঠাৎ কয়েকজন ইন্টার্ন চিকিৎসক আমাকে ঘিরে ফেলেন। একপর্যায়ে আমাকে একটি কক্ষে নিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। ধাক্কাধাক্কি ও গায়ে হাত তোলার ঘটনাও ঘটেছে। হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তোলাতেই এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তিনি জানান, বিষয়টি তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জান

হাসপাতালের অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদ করায় নারী এমপি প্রার্থীকে লাঞ্ছনা

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রতিবাদ করায় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী সংসদ সদস্য প্রার্থী ফাতেমা রহমান বিথীকে অবরুদ্ধ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে।

বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। বিথি জেলা ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি।

জানা যায়, বুধবার দুপুরের দিকে ফাতেমা রহমান বিথী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে বিভিন্ন ওয়ার্ডে রোগীদের ভোগান্তি, দীর্ঘ অপেক্ষা, শয্যা সংকট ও সেবায় অব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের একটি অংশ তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।

ফাতেমা রহমান বিথী অভিযোগ করে বলেন, আমি রোগীদের দুর্ভোগ নিয়ে কথা বলতে গেলে হঠাৎ কয়েকজন ইন্টার্ন চিকিৎসক আমাকে ঘিরে ফেলেন। একপর্যায়ে আমাকে একটি কক্ষে নিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। ধাক্কাধাক্কি ও গায়ে হাত তোলার ঘটনাও ঘটেছে। হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তোলাতেই এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

তিনি জানান, বিষয়টি তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, হাসপাতালের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা তৈরি হওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে কথা কাটাকাটি হয়েছে, তবে মারধরের অভিযোগ সঠিক নয়। পরে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।

আব্দুল্লাহ আল নোমান/এমএন/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow