হাসপাতালের নির্মাণসামগ্রী চুরি: রিমান্ড শেষে ৩ আসামির জবানবন্দি

রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের সুপার স্পেশালাইজড ইউনিট থেকে নির্মাণসামগ্রী চুরির ঘটনায় গ্রেফতার তিন আসামি রিমান্ড শেষে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। রোববার (৩ মে) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত তাদের এ জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এর আগে, গত ২৩ এপ্রিল মামলার তদন্তের স্বার্থে পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আসামিদের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে হাজির করা হলে আসামিরা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ এপ্রিল ভোরে হাসপাতালের সুপার স্পেশালাইজড ভবনের বেজমেন্ট-২ থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই একটি মিনি ট্রাকে করে প্রকল্পের মূল্যবান নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে শাহবাগ থানায় মামলা করা হয় এবং তদন্তে নেমে পুলিশ হাসপাতালের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পায়। এ ঘটনায় গ্রেফতার তিনজন হলেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী আল মামুন সরকার (৩৩), সহকারী কম্পিউটার অপারেটর মামুন উর রশিদ (৪০) ও অন্য একজন মাসুম বিল্লাহ (৩

হাসপাতালের নির্মাণসামগ্রী চুরি: রিমান্ড শেষে ৩ আসামির জবানবন্দি

রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের সুপার স্পেশালাইজড ইউনিট থেকে নির্মাণসামগ্রী চুরির ঘটনায় গ্রেফতার তিন আসামি রিমান্ড শেষে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

রোববার (৩ মে) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত তাদের এ জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

এর আগে, গত ২৩ এপ্রিল মামলার তদন্তের স্বার্থে পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আসামিদের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে হাজির করা হলে আসামিরা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ এপ্রিল ভোরে হাসপাতালের সুপার স্পেশালাইজড ভবনের বেজমেন্ট-২ থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই একটি মিনি ট্রাকে করে প্রকল্পের মূল্যবান নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে শাহবাগ থানায় মামলা করা হয় এবং তদন্তে নেমে পুলিশ হাসপাতালের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পায়।

এ ঘটনায় গ্রেফতার তিনজন হলেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী আল মামুন সরকার (৩৩), সহকারী কম্পিউটার অপারেটর মামুন উর রশিদ (৪০) ও অন্য একজন মাসুম বিল্লাহ (৩৫)।

গত ২৩ এপ্রিল শাহবাগ থানার এসআই একরামুল হকের নেতৃত্বে বাড্ডা ও ভাটারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার এবং চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১০ হাজার ৪৯৭ কেজি স্ক্র্যাপ লোহা, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১০ লাখ টাকা। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এমডিএএ/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow