হাসপাতালে রোগী মৃত্যুর মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন পিছিয়ে ৯ জুলাই
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং হৃদয় জেনারেল হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট ১১ জনের বিরুদ্ধে করা রোগী মৃত্যুর মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। তদন্ত কর্মকর্তা নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় আগামী ৯ জুলাই প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) ঢাকার আদালতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল। তবে প্রতিবেদন প্রস্তুত না হওয়ায় বিচারক মো. ইসমাইল নতুন এই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। মামলার বাদী মোকসেদুল হাসান মন্ডল জাগো নিউজকে বলেন, ‘তদন্ত কর্মকর্তা মামলার বাদীকে ডেকেছিলেন। কথা বলেন, তিনি দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দিতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন।’ এদিকে, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকেও তদন্তে অগ্রগতির কথা জানানো হয়েছে। এর আগে রোগী মৃত্যুর ঘটনায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং হৃদয় জেনারেল হাসপাতালের মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী, কয়েকজন ওয়ার্ডবয় ও নিরাপত্তাকর্মী এবং হৃদয় জেনারেল হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক, চিকিৎসক ও প্র
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং হৃদয় জেনারেল হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট ১১ জনের বিরুদ্ধে করা রোগী মৃত্যুর মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। তদন্ত কর্মকর্তা নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় আগামী ৯ জুলাই প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) ঢাকার আদালতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল। তবে প্রতিবেদন প্রস্তুত না হওয়ায় বিচারক মো. ইসমাইল নতুন এই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
মামলার বাদী মোকসেদুল হাসান মন্ডল জাগো নিউজকে বলেন, ‘তদন্ত কর্মকর্তা মামলার বাদীকে ডেকেছিলেন। কথা বলেন, তিনি দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দিতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন।’
এদিকে, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকেও তদন্তে অগ্রগতির কথা জানানো হয়েছে।
এর আগে রোগী মৃত্যুর ঘটনায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং হৃদয় জেনারেল হাসপাতালের মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী, কয়েকজন ওয়ার্ডবয় ও নিরাপত্তাকর্মী এবং হৃদয় জেনারেল হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক, চিকিৎসক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।
মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২, ৩০৪, ৩২৩ ও ৫০৬ ধারায় দায়ের করা হয়েছে। এসব ধারায় হত্যাকাণ্ড, অবহেলায় মৃত্যু, মারধর এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
বাদীপক্ষের প্রত্যাশা, তদন্ত শেষে আদালতে প্রকৃত ঘটনা উঠে আসবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমডিএএ/এসএনআর
What's Your Reaction?