হাসিনার সংবিধান মানলে ২০২৯ সালে নির্বাচন: ড. হেলাল উদ্দিন
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন বলেছেন, ‘হাসিনার সংবিধান মানলে ২০২৯ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে, তার আগ পর্যন্ত হাসিনা প্রধানমন্ত্রী। হাসিনার তৈরি সংবিধান মানলে রাষ্ট্রীয় সকল প্রতিষ্ঠানে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি প্রদর্শন বাধ্যতামূলক।’
রোববার (১৫ মার্চ) সকালে দলের পল্টন থানার উদ্যোগে শান্তিনগর এলাকায় অসহায়-দরিদ্রদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন—যেদিন জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে সেই দিন হাসিনার সংবিধান ছুঁড়ে ফেলা হবে। যদি আপনার সরকারকে জনগণের সরকার মনে করেন- তবে বেগম জিয়ার আকাঙ্ক্ষায় উজ্জীবিত হয়ে জাতির প্রত্যাশা বাস্তবায়নে হাসিনার তৈরি সংবিধান ছুঁড়ে ফেলে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করুন।’
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে যেকোনো কাজে জামায়াতে ইসলামী সরকারকে সহযোগিতা করবে উল্লেখ করে দলটির এ নেতা বলেন, ‘তবে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন না হলে জামায়াতে ইসলামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।’
জুলাই সনদ শোষণের হাত থেকে মানু
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন বলেছেন, ‘হাসিনার সংবিধান মানলে ২০২৯ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে, তার আগ পর্যন্ত হাসিনা প্রধানমন্ত্রী। হাসিনার তৈরি সংবিধান মানলে রাষ্ট্রীয় সকল প্রতিষ্ঠানে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি প্রদর্শন বাধ্যতামূলক।’
রোববার (১৫ মার্চ) সকালে দলের পল্টন থানার উদ্যোগে শান্তিনগর এলাকায় অসহায়-দরিদ্রদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন—যেদিন জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে সেই দিন হাসিনার সংবিধান ছুঁড়ে ফেলা হবে। যদি আপনার সরকারকে জনগণের সরকার মনে করেন- তবে বেগম জিয়ার আকাঙ্ক্ষায় উজ্জীবিত হয়ে জাতির প্রত্যাশা বাস্তবায়নে হাসিনার তৈরি সংবিধান ছুঁড়ে ফেলে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করুন।’
জনগণের প্রত্যাশা পূরণে যেকোনো কাজে জামায়াতে ইসলামী সরকারকে সহযোগিতা করবে উল্লেখ করে দলটির এ নেতা বলেন, ‘তবে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন না হলে জামায়াতে ইসলামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।’
জুলাই সনদ শোষণের হাত থেকে মানুষের মুক্তির সনদ জানিয়ে ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। যারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চায় না তারা মূলত এদেশে আবারও ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থা কায়েম করতে চায়। শেখ হাসিনার তৈরি সংবিধান রক্ষায় যারা উঠেপড়ে লেগেছে তারা শেখ হাসিনার মতোই মানুষের উপর জুলুম করবে, দুর্নীতি করবে।’
বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যেই সংবিধানের দোহাই দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেয়নি; সেই সংবিধান মানলে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বৈধ কিনা তা জাতির সামনে স্পষ্ট করতে হবে।
জামায়াতে ইসলামী পল্টন থানা আমির অ্যাডভোকেট মারুফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং থানা সেক্রেটারি মঞ্জুরুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য শাহীন আহমেদ খান।
আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক কাউন্সিলর খন্দকার আব্দুর রব, পল্টন থানা সহকারী সেক্রেটারি মুস্তাফিজুর রহমান শাহীন ও এনামুল হক, থানা কর্মপরিষদ সদস্য আ.ফ.ম ইউসুফ, নজরুল ইসলাম মজুমদার, শামীম হাসনাইন, নুরুল আবসার প্রমুখ।